স্ক্যান করায় স্ক্যাম বাড়ছে

0
7

আজকাল সব জায়গায় কিউআর কোডের দেখা মেলে, রিয়েল এস্টেটের তালিকা, টিভি বিজ্ঞাপন, সোশাল মিডিয়া পোস্ট এমনকি রেস্তোঁরার মেনুতে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এই বহুল ব্যবহারই ডেকে আনতে পারে বিপদ।কোভিড মহামারীতে কিউআর কোডের ব্যবহারে বেড়েছে অনেক।

ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন রেস্তোঁরা হাতে হাতে মেনু পৌঁছানোর বদলে তুলে দিয়েছে কিউআর কোড। সেটা মোবাইল ফোনের অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে নিজের ফোনের স্ক্রিনেই মেনু দেখা সম্ভব।আর এসব কারণেই নড়েচড়ে বসছে সাইবার অপরাধীরা, দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়া এই টেকনোলজিকে কাজে লাগাতে শুরু করেছে।স্ক্যামাররা নিজেরা ক্ষতিকারক কিউআর কোড তৈরি করছে যা গ্রাহকের অজান্তেই বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে বলে অভিযোগ।এইসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যাংকিং বা ব্যক্তিগত তথ্যের মতো বিষয়। অভিযোগ,যখনই কোনো নতুন টেকনোলজি আসে,সাইবার অপরাধীরা সেটিকে কাজে লাগানোর উপায় খোঁজার চেষ্টা করে।আর এ বিষয়টি কিউআর কোডের মতো টেকনোলজির বেলায় বিশেষভাবে সত্য।লোকজন জানেন এই টেকনোলজি কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, তবে এর খুঁটিনাটি তারা নাও জানতে পারেন। আর এসব কারিগরি জ্ঞান না থাকার কারণে মানুষকে বিভ্রান্ত করা সহজ। উল্লেখ্য,কিউআর কোডের পুরো নাম,কুইক রেসপন্স কোড। ১৯৯০-এর দশকে জাপানে উদ্ভাবিত এই টেকনোলজির প্রথম ব্যবহার ছিল মোটরগাড়ি শিল্পে উৎপাদন পরিচালনায়।এখন যে কেউ চাইলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দসই কিউআর কোড।জাল কিউআর কোড হয়তো ফোনে গোপনে ম্যালওয়্যার ডাউনলোডের মতো কিছু করবে না।তবে এগুলো নিয়ে যেতে পারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে এমন ওয়েবসাইটগুলিতে।অন্য যে কোনও ফিশিং স্কিমের মতোই ক্ষতিকারক উদ্দেশ্যে কিউআর কোডগুলি ঠিক কতোবার ব্যবহার করা হয় তা জানা অসম্ভব।