হাতের ট্যাটু, জামার রং, দেহাংশের স্তূপে প্রিয়জনের খোঁজ

0
70
ছবি সৌজন্যে : এক্স
কারও হাত-পা’র ট্যাটু, আবার কারোর জামাকাপড়ের রং, দেহাংশের স্তুপে চলছে দিল্লি বিস্ফোরণে মৃত প্রিয়জনদের দেহ শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া।
ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া  প্রিয়জনদের শরীর শনাক্ত করা পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালের করিডোরে এখন কান্নার রোল। ভয়ঙ্করতম প্রতীক্ষা। একটি ট্যাটু, ছেঁড়া হাতা, অথবা নীল শার্টের একটা হাতা। এক-একটি চিহ্নে আঁতকে উঠছে কেউ । শেষ হয়ে যাচ্ছে শেষ আশা। চাঁদনী চকের  ওষুধ ব্যবসায়ী ৩৪ বছর বয়সী অমর কাটারিয়া। তার দেহ এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে কিছুতেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ৩৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ জুম্মন। রিকশা চালাতেন। সোমবার রাত ৯টার পর থেকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি তাঁকে। থানা থেকে একটি ফোন পেয়ে এসে  জুম্মনকে তার নীল শার্ট এবং জ্যাকেট দেখে শনাক্ত করে বন্ধু ইদ্রিস।
উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা বছর ৭২-এর শেহনাজ। একটুকরো কাগজ হাতে ঘুরছেন লোকনায়ক হাসপাতালের বাইরে।