
এফআইআর ছাড়া কি কারও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে ইডি। বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না।
আর্থিক দুর্নীতি দমন আইন-এর পঞ্চম ধারার দু’টি উপধারাকে নিয়ে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই দু’টি উপধারাকে কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, তা বিবেচনা করে দেখতে পারে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ওই দু’টি উপধারার মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন। আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের পঞ্চম ধারায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। প্রথম উপধারায় বলা হয়েছে, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের জন্য এফআইআর প্রয়োজন। অন্যটিতে বলা হয়েছে, ইডি আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করলে এফআইআর ছাড়াও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে। তামিলনাড়ুর বেআইনি বালি খাদান সংক্রান্ত একটি মামলায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট ইডিকে এক ঠিকাদারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা থেকে বিরত রাখে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সোমবার ওই মামলায় সব পক্ষকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত।
তবে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ের উপর এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এই মামলাটি শুনানির জন্য উঠবে।








