
দুর্নীতিগ্রস্ত অবজার্ভারদের বেছে বেছে বাংলা পাঠাচ্ছেন জ্ঞানেশ কুমার। অভিযোগ করেছে তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক থেকে ব্রাত্য বসু, সায়নী ঘোষরা অভিযোগ করেছেন অমিত শাহ-র নির্দেশে জ্ঞানেশ কুমার যা করছেন তা নির্দোষদের হয়রানি করতে চোরকে কাজে লাগানো।
ব্রাত্য বসু, সায়নী ঘোষের অভিযোগ বনগাঁ দক্ষিণের অবজার্ভার অজয় কাটেসারিয়া যিনি সাতনার কালেক্টর থাকাকালীন ৪০ একরের বেশি সরকারি জমি বেআইনিভাবে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিয়েছেন। রেওয়া কমিশনারের রিপোর্টে অজয় কাটেসারিয়া দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়েছে। ঠিক তেমনই মালদার গাজোলে ধীরজ কুমার নামে যে অবজার্ভারকে বসানো হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কমিশনার থাকাকালীন ৮ হাজার কোটি টাকার অ্যাম্বুলেন্স টেন্ডার কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে গণ্ডম চন্দ্রভুডু নামে বালিগঞ্জের অবজার্ভারের বিরুদ্ধে অন্ধ্রপ্রদেশে আদিবাসী কল্যাণ দফতরের ডিবেক্টর থাকালীন যৌতুক হয়রানির মামলা। রয়েছে। মধ্যমগ্রামের অবজার্ভার অরিন্দম ডাকুয়া ওড়িশার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন।
যা স্পষ্টতই একটি বাজনৈতিক নিয়োগ। তাঁদের অভিযোগ এই দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষগুলোর ওপর নির্বাচন কমিশন বাংলায় অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছে। এই অবজার্ভারদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়াতেও পোস্টে সরব হয়েছে তৃণমূল।
