
সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত থেকে উত্তাল সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড।শহরের কেন্দ্রস্থলে সমবেত হাজার হাজার মানুষ রাষ্ট্রপতি আলেকজান্ডার ভুইচিচের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দাবানলের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত তা হিংসাত্মক আকার নেয়। সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শনিবার রাতে রাজধানীর অন্যতম প্রধান যান চলাচল কেন্দ্র স্লাভিয়া স্কোয়ারে জড়ো হয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনার পরেই পুলিশ প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বেলগ্রেড সিটি হল ঘিরে ফেলে। তারপরেই রাষ্ট্রপতি ভবনের কাছে এবং সেই পার্কের বাইরে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এস নিউজ।
যেখানে দেখা গিয়েছে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের ফলে পুরো এলাকা জুড়ে ঘন ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, এই ক্ষোভ আজকের নয়। ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর উত্তর সার্বিয়ার নোভি সাদ শহরের একটি রেলস্টেশনের ছাদ ধসে ১৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকে সার্বিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে শুরু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনরোষের জন্ম দেয়। এই বিশাল বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে মূলত সার্বিয়ার ছাত্র সংগঠনগুলো। এই সমাবেশে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ নাগরিক অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভকারীরা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।








