৯৩ মিনিটে রামোসের জাদু

0
4

Last Updated on by

ইতিহাস গড়তে মিনিট দুয়ের মতো বাকি।  লিসবনের স্টেডিয়াম অব লাইটসে চলছিল আতলেতিকো মাদ্রিদ সমর্থকদের গগনবিদারী হুঙ্কার, উৎসবের আয়োজন।

মুহূর্তে পাল্টে গেল সব,ডান দিক থেকে লুকা মদ্রিচের কর্নার, দিয়েগো গদিনকে ফাঁকি দিয়ে জায়গা বানিয়ে সের্হিও রামোসের হেড, বল খুঁজে পেল ঠিকানা।ওই গোলেই যেন লেখা হয়ে গিয়েছিল ভাগ্য। অতিরিক্ত সময়ের একপেশে লড়াইয়ে লা দেসিমা জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।২০১৩-১৪ সিজনে যেন উড়ছিল আতলেতিকো। বার্সেলোনা-রিয়ালকে পেছনে ফেলে তুলে ধরেছিল লা লিগা চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯৯৫-৯৬ সিজনের পর প্রথমবার। অপেক্ষা ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপ সেরার আসনে বসার।২৪ মে, ২০১৪-পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের ফাইনালে নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে দারুণ সম্ভাবনাও জাগিয়েছিল তারা। গোলরক্ষক ইকের কাসিয়াসের অমার্জনীয় ভুলে ৩৬ মিনিটে গোল আদায় করে নেন গদিন। এরপর নিজেদের চিরচেনা ফুটবলে রক্ষণ দুর্গ গড়ে তোলে ১৯৭৩-৭৪ সিজনের পর ফাইনালে খেলা দলটি।৯০ মিনিট পেরিয়ে ম্যাচ গড়ায় যোগ করা সময়ে। পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে কর্নার পায় রিয়াল।এরপরই সেই মদ্রিচ-রামোস জুটির অসাধারণ বোঝাপড়া এবং রিয়ালের পাল্টা হুঙ্কার।তীরে গিয়ে স্বপ্ন ভাঙার হতাশা যেন পুরোপুরি ঘিরে ধরেছিল দিয়েগো সিমেওনের দলকে। অতিরিক্ত সময়ে কার্লো আনচেলত্তির দলের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তারা। একে একে গোলে বল পাঠান গ্যারেথ বেল, মার্সেলো ও ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্ডো।এক যুগের অপেক্ষা শেষে ইউরোপ সেরার মঞ্চে দশম চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের উল্লাসে মাতে রিয়াল মাদ্রিদ। পূর্ণ হয়েছে এর ছ’ বছর।বর্ষপূর্তির দিনে সেই ৯৩ মিনিটের অভাবনীয় মুহূর্তকে স্মরণ করেছেন দুই নায়ক রামোস ও মদ্রিচ।রিয়ালের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকার গর্বিত কণ্ঠে শুনিয়েছেন সেই গল্প।রামোসের কাছে সেই রাত এক শব্দে ,ঐতিহাসিক।