
মিচেল স্টার্ক যেন ঝড় হয়ে এসে সব কিছু তছনছ করে দিলেন। প্রথম ওভারে তিন ব্যাটসম্যানকে বিদায় করে শুরু, তৃতীয় ওভারে যোগ করলেন আরও দুটি।মাত্র ১৫ বলেই তুলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট,পুরুষদের টেস্ট ইতিহাসে এত কম বল খরচ করে কেউ ফাইফার পাননি আগে। কিংস্টনের সাবিনা পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার গড়েছেন আরেকটি রেকর্ড,৪০০ টেস্ট উইকেট।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শুধু স্টার্ক নন, ওই ম্যাচে স্কট বোল্যান্ডের হাতেও আছে রেকর্ড। হ্যাটট্রিক করে তিনি হয়ে গেলেন অস্ট্রেলিয়ানদের হয়ে দশম টেস্ট হ্যাটট্রিক তুলে নেওয়া বোলার, গোলাপি বল হাতে করা প্রথম। সব মিলিয়ে এই ম্যাচে রেকর্ড যেন পিছু ছাড়েনি।কিংস্টন টেস্ট শেষ হতে সময় লেগেছে মাত্র তিন দিন।চতুর্থ ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের মুখে দাঁড়াতেই পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাত্র ২৭ রানে গুটিয়ে গেছে তাদের দ্বিতীয় ইনিংস। টেস্ট ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ইনিংস স্কোর,১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড করেছিল ২৬।এই ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাত ব্যাটসম্যান শূন্য রানে আউট হয়েছেন।টেস্ট ইতিহাসে কোনো ইনিংসে এতজন ব্যাটার রানে না খুলে আউট হওয়ার ঘটনা এই প্রথম।ওয়েস্ট ইন্ডিজের চতুর্থ ইনিংস থেমেছে মাত্র ১৪.৩ ওভারে। টেস্ট ইতিহাসে এটি তৃতীয় দ্রুততম অলআউট হওয়া ইনিংস।১৯২৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হয়েছিল ১২.৩ ওভারে,আর ২০২৩ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা গুটিয়ে গিয়েছিল ১৩.৫ ওভারে।১৫ বলেই পাঁচ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে দ্রুততম ফাইফার-এর রেকর্ড এখন স্টার্কের।সঙ্গে যোগ হয়েছে ৪০০ উইকেটের রেকর্ডও।
এমন দিনে আরও একটি রেকর্ড গড়লেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার,এক ইনিংসে সবচেয়ে কম রান খরচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার দিক দিয়েও এগিয়ে রয়েছেন তিনি।অন্যদিকে,অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্টে হ্যাটট্রিক করা দশম বোলার স্কট বোল্যান্ড। এর আগে ২০১০ সালে ব্রিসবেনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিটার সিডল হ্যাটট্রিক করেছিলেন।পুরুষদের টেস্টে এখন অস্ট্রেলিয়ার হ্যাটট্রিক সংখ্যা দাঁড়াল ১২, সবচেয়ে বেশি ১৫টি হ্যাটট্রিক রয়েছে ইংল্যান্ডের।







