
পাঞ্জাবে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। ইতিমধ্যেই এক হাজারেরও বেশি গ্রাম জলের তলায়। এখনও পর্যন্ত পর্যন্ত ১৬ হাজার বাসিন্দাকে জলমগ্ন এবং বিপজ্জনক এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃষ্টি এবং বন্যার জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের।
তার মধ্যে পাঠানকোটে আট জন, হোসিয়ারপুরে সাত, রূপনগর এবং বারনালায় তিন জন করে, গুরদাসপুরে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আটটি জেলা। সেগুলি হল— গুরদাসপুর, পাঠানকোট, অমৃতসর, তরণ তারণ, কপুরথালা, ফিরোজপুর, হোসিয়ারপুর এবং ফাজিলকা। রাজ্য সরকার, সেনা, বিএসএফ, বায়ুসেনা এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী একযোগে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। জলমগ্ন গ্রামগুলিতে আটকে পড়া বাসিন্দাদের সেনার হেলিকপ্টারের মাধ্যমেও উদ্ধারকাজ চলছে।
তবে এই দুর্যোগে বড় ত্রাতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছে সেনার উভচর বাহন অ্যাটর এন ১২০০’কে।প্রশাসন সূত্রে খবর, আপাতত দু’টি জেলায় চারটি এই উভচর বাহনকে উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু উদ্ধারকাজই নয়, বন্যার জলে আটকে পড়া বাসিন্দাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছোতেও এই বাহনকে ব্যবহার করা হচ্ছে।








