দূরত্ব বাড়িয়ে বিস্ফোরক তোপ শরদের

0
101
ছবি সৌজন্যে : এক্স

অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে দুই পওয়ারের দুই এনসিপির অবশ্যম্ভাবী পুনর্মিলন কি ভেস্তে গেল, অন্তত মারাঠা স্ট্রংম্যান শরদ পওয়ারের বক্তব্যে তেমনই ইঙ্গিত মিলল।

শরদ পওয়ার দাবি করেছেন, সুনেত্রা যে শপথ নেবেন বা উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন সেসব তিনি জানতেন না। সবটাই জেনেছেন সংবাদমাধ্যমে। পরিবারে এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। এর আগে অজিতের প্রয়াণের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দলীয় ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করে দেয় এনসিপি।সূত্রের খবর, এনসিপির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট প্রফুল প্যাটেল এবং দলের অন্যান্য নেতারা আলাদা করে কথা বলেন সুনেত্রার সঙ্গে। সেই বৈঠক পরই ঠিক হয় অজিতের অনুপস্থিতিতে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হবে সুনেত্রাকেই। এনসিপি চাইছে পওয়ারদের গড় বারামতি থেকে সুনেত্রাকে প্রার্থী করতে। এই বারামতি থেকেই সাতবার বিধায়ক হয়েছিলেন অজিত পওয়ার।এসবের পাশাপাশি আবার এনসিপির দুই শিবিরের পুনর্মিলন নিয়েও আলোচনা চলছিল। সদ্য পিম্পরি-চিঁচওয়াড় ও পুণের পুরসভায় ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করেছে এনসিপির দুই শিবির। তাতে আশানুরূপ ফল আসেনি। তবে সেটা ছিল জোট। সব ঠিক থাকলে মহারাষ্ট্রের জেলা পরিষদের নির্বাচনও যৌথভাবে লড়াই করার কথা ছিল দুই শিবিরের। এবার আর আলাদা আলাদা প্রতীকে নয়। দুই শিবিরের প্রার্থীরাই অজিত পওয়ারের এনসিপির ঘড়ি প্রতীকে লড়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। জানা গিয়েছে, পর্দার আড়ালে কাকা শরদ পওয়ারের দল এনসিপি শরদচন্দ্র পওয়ার এবং তাঁর এনসিপিকে মিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সিলমোহর দিয়েছিলেন অজিত পওয়ার।

জেলা পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৮ ফেব্রুয়ারিই দুই শিবির পুনর্মিলন ঘোষণা করার কথা ছিল।