
এবার বাংলাদেশের ঢাকায় গারমেন্টস কারখানায় কর্মীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনায় ১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। তারপরই উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকে নামানো হয়েছে। নীল ফামারির উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ ও নায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনে মহম্মদ হাবিব নামে ওই শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
নিহত হাবিব ভেনচুরা লেদার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির কর্মী ছিলেন। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, ইপিজেডের এভারগ্রিন নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্প্রতি ৫১ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়। এ নিয়ে সেখানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা না দিয়ে সোমরাত রাত অনির্দিষ্টকালের জন্য এভারগ্রিন কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে ইপিজেডের প্রধান ফটকে নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল আটটায় কাজে যোগ দিতে গিয়ে এভারগ্রিন কারখানার শ্রমিকেরা ওই নোটিশ দেখতে পান। ভেতরে ঢুকতে না পেরে তাঁরা ইপিজেডের সামনের সড়কে অবস্থান-বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
এ অবস্থায় নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন এবং তাঁদের সরিয়ে দিতে যান। তখন উত্তেজিত শ্রমিকেরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিক মহম্মদ হাবিব ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
