
পুজোয় প্রাণ খুলে কেনাকাটা করুন। রসগোল্লা খান। কলকাতায় জাতীয় গ্রন্থাগার ভাষা ভবনে নেক্সট জেন জিএসটি শীর্ষক আলোচনাসভায় একথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।
তিনি বলেছেন দুধ, পনির, দই থেকে জিএসটি ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য করা হয়েছে। তাই পুজোয় যত খুশি রসগোল্লা, রসমালাই খান, চুটিয়ে আনন্দ করুন। জিএসটি রিফর্ম করার পর তার সুবিধে বোঝাতে গিয়ে নির্মলা সীতারমন বলেছেন এটি কার্যকর করতে অনেক দিন ভাবা হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পিতৃপক্ষের জন্য দিন পিছিয়ে দেন। ঠিক হয় বাংলা তথা দেশের সর্ববৃহৎ উৎসব পুজোর আগেই চালু করা হবে নেক্সট জেন জিএসটি বা জিএসটি টু পয়েন্ট জিরো। যাতে মাত্র দুটি স্তরের জিএসটির পুরোপুরি সুবিধে তুলতে পারেন বাংলা সহ সাধারণ মানুষ। পাওয়ার পাওয়ার পয়েন্ট প্রজেক্টের মাধ্যমে তিনি স্তরে স্তরে বুঝিয়ে দেন কেন্দ্রের পদক্ষেপের দিকগুলো। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানিয়েছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সহ বাংলার শান্তিনিকেতনের চর্মশিল্প বিশেষভাবে লাভববান হবে বলে জানিয়েছেন সীতারমন। বাঁকুড়ার টেরাকোটা, মৃৎশিল্প সামগ্রির দাম ৫ শতাংশ স্তরে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
এছাড়াও পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ছৌ মুখোশ, দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডীর ক্ষুদ্রশিল্প, বর্ধমানের হস্তশিল্প তথা শোলা কারিগরদের সামগ্রী ৫ শতাংশ, নকশিকাঁথার শিল্পীরা, মালদার আম, দার্জিলিংয়ের চা শিল্প, চটের ব্যাগ, হোসিয়ারি ও রেডিমেড পোশাক শিল্পও এই জিএসটির ফলে লাভবান হবে।








