
ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ শ্বেতা ভট্টাচার্য একাধিক হিট মেগাসিরিয়ালের নায়িকা হিসেবে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। শুধু বাংলা টেলিভিশনেই নয়, তিনি ইতিমধ্যেই বড়পর্দায় ডেবিউ করেছেন এবং হিন্দি ধারাবাহিকেও কাজ করেছেন।
পেশাদার জীবনের এই ধারাবাহিক সাফল্য অনেকের কাছেই ঈর্ষণীয়। তবে বিনোদন দুনিয়ায় সাফল্যের জন্য অনেক সময় ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দে কম্প্রোমাইজ করতে হয়,এমন ধারণা যে ভুল তা নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই প্রমাণ করেছেন শ্বেতা। এক সাক্ষাৎকারে শ্বেতা জানিয়েছেন,অনেক ক্ষেত্রেই কম্পোমাইজের কথা বলা হয়।তাকেও এরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাঁকেও স্বল্প দৈর্ঘ্যের পোশাক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, স্লিভলেস বা শর্ট ড্রেস পরেন না।হাঁটুর ওপরে কোনও পোশাক পরেন না। তাঁকে বলা হয়েছিল,ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে এসেছেন, এই পোশাক না পরলে টিকবেন কীভাবে? কিন্তু শ্বেতা ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, যদি শরীর দেখিয়ে কাজ করতে হয়, তবে সে কাজ তিনি করবেন না। শ্বেতা আরও যোগ করেছেন, গত ১৫ বছর ধরে তিনি এই নিয়ম মেনে মেগাসিরিয়ালে লিড চরিত্রে অভিনয় করছেন, অথচ কখনও কোনও চ্যানেল বা প্রযোজকের পক্ষ থেকে তাঁকে জোর করা হয়নি। তবে আশেপাশে অনেককেই নিজের পছন্দের জায়গায় কম্প্রোমাইজ করতে হয় বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রীকে।উল্লেখ্য শ্বেতাকে ভজ গোবিন্দ-এর হিন্দি সংস্করণ জয় কানাইয়া লাল কী-তে দেখা গিয়েছিল। সেখানে মূল ধারাবাহিকের ডালি চরিত্রটি শর্ট ড্রেসে দেখা গেলেও, শ্বেতা নিজের চরিত্রে সেই পোশাক পরেননি। তিনি বলেছেন,ডালি চরিত্রে যিনি ছিলেন, তিনি শর্ট ড্রেসে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন এবং তাঁকে ভালোও লাগত।
কিন্তু তিনি পরেন না, সেটি হয়তো তাঁর মাইনাস পয়েন্ট হতে পারে। তবে এতে তাঁর খারাপ লাগেনি, বরং তিনি খুশি।








