প্রশান্ত মহাসাগরে অশান্তির আঁচ

0
124
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

আমেরিকা,আশঙ্কার কথা বছর আড়াই আগেই জানিয়েছিল। তা সত্যি প্রমাণিত করে এ বার প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমার,ইইজেড অন্দরে দেখা গিয়েছে চিনা নৌবহরের তৎপরতা। সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রথম বার,জাপানের প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, চিনা পিপল্‌স লিবারেশন নেভি’র বিমানবাহী রণতরী শানদং এবং আরও চারটি যুদ্ধজাহাজ প্রশান্ত মহাসাগরের ওকিনোটোরি প্রবালদ্বীপের কাছে জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমার মধ্যে প্রবেশ করেছে।

যার মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও রয়েছে।চিনা বিমানবাহী রণতরী থেকে যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারের ধারাবাহিক ওঠানামাও নজরে এসেছে জাপানের সেনার। উল্লেখ্য,জাপান এবং তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চিনা ফৌজ ক্রমশ আগ্রাসী হয়ে উঠবে বলে ২০২৩ সালের গোড়ায় একটি রিপোর্টে জানিয়েছিল পেন্টাগন।প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মিত্র দেশগুলিকে বেজিঙের নিশানা থেকে রক্ষা করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রাচীর গড়ার কথাও বলা হয়েছিল আড়াই বছর আগেকার ওই রিপোর্টে।মাসকয়েক আগে চিনের আর এক বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং একই ভাবে জাপানের ইইজেড-এ অনুপ্রবেশ করেছিল।কিন্তু সামান্য সময় কাটিয়েই সেটি ফিরে যায়।

কিন্তু এ বার পাঁচ যুদ্ধজাহাজের বহর নিয়ে পুরোদস্তুর মহড়া শুরু করেছে চিনা নৌসেনা।অন্য দিকে, লিয়াওনিং নামে চিনা বিমনবাহী যুদ্ধজাহাজটি রয়েছে জাপানের জলসীমার অদূরেই,মিনামিটোরিশিমা নামে প্রত্যন্ত দ্বীপের কাছে। জাপান প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্র হায়াশির অভিযোগ, চিনের উপকূল থেকে বহু দূরে লালফৌজের এই নৌমহড়া সমুদ্রপথে আগ্রাসী আচরণের ইঙ্গিতবাহী। যদিও চিনা বিদেশ দফতরের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন,আন্তর্জাতিক বিধি মেনেই এই নৌমহড়া হচ্ছে।