
খসড়া ভোটার তালিকার পর শনিবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে এসআইআর শুনানি। ৩২ লাখ আনম্যাগের জন্য ধাপে ধাপে শুনানি প্রক্রিয়া চলবে।
মূলত যেসমস্ত ভোটারদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ম্যাপিং করা যায়নি তাদেরকেই প্রথমে শুনানিতে ডাকা হবে। ইতিমধ্যেই শুনানির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া নির্বিয়ে শেষ করতে আগেই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এদিকে কমিশনকে গকবর বলে আক্রমণ করে ফের সরব হয়েছে তৃণমূল। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন এখন নির্বাচন কমিশন এমন আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে যে সবাই বলছে সো যা নেহিতো ইসিআই আ জায়েগা। তাঁদের দাবি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা সবসময় ইতিবাচক ছিল বলে ভারতবর্ষের মানুষ জানে। বহু দলীয় গণতন্ত্রের দেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। কিন্তু এখন নির্বাচন কমিশন নিজেদেরকে ভিলেন বাপে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য প্রশ্ন তুলেছেন একজন নাগরিককে কেন বারবার নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে।
যে মানুষটা বহুবার ভোট দিয়েছেন, তাকে কেন আবার ভোটার লিস্টে নাম তুলতে হবে।






