
ত্বকের ক্লান্তি বা, স্কিন ফেটিগ, এই সমস্যার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করে,কম ঘুম, মানসিক চাপ ও শরীরে জলের ঘাটতি। এর ফলে ত্বক হয়ে ওঠে নিস্তেজ, প্রাণহীন ও মলিন।
চোখের নিচে কালি, ফোলাভাব, ত্বকে উজ্জ্বলতা ও সতেজতার ঘাটতি এসবই স্কিন ফেটিগের লক্ষণ।এখন প্রশ্ন হল,কী কারণে হয় স্কিন ফেটিগ? উত্তর হল,ঘুমের অভাব, ঘুম না হলে ত্বকের কোষ ঠিকভাবে পুনর্জীবিত হতে পারে না। ফলে ত্বক ক্লান্ত ও বিবর্ণ দেখায়।মানসিক চাপ,স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল বেড়ে গিয়ে ত্বকে আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়, উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়। শরীর পর্যাপ্ত হাইড্রেটেড না থাকলে ত্বক শুকনো ও নিস্তেজ হয়ে যায়।ভুল খাদ্যাভ্যাস,প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলের ঘাটতি ত্বকের প্রাণশক্তি কমিয়ে দেয়। দূষণ ও পরিবেশগত প্রভাব: অতিরিক্ত রোদ, ধুলাবালি এবং দূষণ ত্বকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।বলা হয় এই রোগে ত্বক ফ্যাকাশে ও প্রাণহীন দেখা যায়।চোখের নিচে কালি ও ফোলাভাব।সূক্ষ্ম রেখা ও বলিরেখার ঝুঁকি বাড়ে।উজ্জ্বলতা ও সতেজতা কমে যায়।এবার প্রশ্ন হল,সমাধান কী?উত্তর হল প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা টানা ঘুম প্রয়োজন।স্ট্রেস কমান,মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা শারীরিক কসরত মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।পান করুন পর্যাপ্ত জল, প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস জল ত্বক হাইড্রেট রাখে।খাবারে সচেতনতাও খুব জরুরি। তাজা ফলমূল, শাকসবজি, প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।ত্বকের যত্ন জরুরি, নিয়মিত মুখ ধোয়া, স্ক্রাবিং, ফেসপ্যাক ব্যবহার এবং ময়েশ্চারাইজিং অপরিহার্য।ঘরোয়া যত্নে স্ক্রাবার বানাতে পারেন বেসন, মধু, মসুর ডাল ও দুধ মিশিয়ে।প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
দই, অ্যালোভেরা, শসার রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন।রাতে ও সকালে ক্লিনজিং করুন হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে।স্ক্রাব করুন সপ্তাহে অন্তত ২ বার, মরা কোষ দূর হবে, ত্বক হবে উজ্জ্বল।সতর্কতা হিসাবে,ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।প্রসেসড খাবার ও অতিরিক্ত চিনি কমিয়ে রাখুন।অতিরিক্ত রোদ থেকে ত্বক রক্ষা করুন। সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।








