
এখন বলা হচ্ছে,হার্ট অ্যাটাক মানেই যে ধমনিতে বড়সড় ব্লকেজ থাকতে হবে,এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়।বলা হচ্ছে,অনেক সময় ছোট, চোখে না-পড়া প্লাকও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
তার কথায়, বেশির ভাগ হার্ট অ্যাটাক বড় ব্লকেজের কারণে হয় না। বরং ছোট, নরম প্লাক থেকেই বিপদ দেখা দিতে পারে। স্ট্রেস টেস্টে এই ধরনের প্লাক ধরা পড়ে না।চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এই ধরনের প্লাককে বলা হয়,ভালনারেবল প্লাক। এগুলি মূলত চর্বি ও প্রদাহজনক কোষ দিয়ে তৈরি এবং উপরিভাগে থাকে খুবই পাতলা একটি আস্তরণ। এই আস্তরণটি দুর্বল হওয়ায় যে কোনও সময় ফেটে যেতে পারে।ধমনির ভেতরে রক্ত চলাচলের পথ অনেকটাই খোলা থাকলেও, এই ছোট প্লাক ফেটে গিয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক ঘটাতে পারে।যেহেতু এগুলি ধমনিকে খুব বেশি সরু করে না, তাই সাধারণ অনেক পরীক্ষায় এদের ধরা পড়ে না।ফলে কোনও পূর্বলক্ষণ ছাড়াই আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মানুষেরও আচমকা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।এখন প্রশ্ন হলো তাহলে এই ঝুঁকি কিভাবে শনাক্ত করা সম্ভব? চিকিৎসকদের মতে, যাদের হার্টের সমস্যার উপসর্গ রয়েছে, যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, যাদের কোলেস্টেরল বেশি, অথবা যাদের পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস আছে,তাদের সিটি করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাম করানো উচিত।
আসলে,ইসিজি, স্ট্রেস টেস্ট বা ট্রেডমিল টেস্ট যেখানে কার্যকর নয়, সেখানে এই পরীক্ষার মাধ্যমে ধমনির ভেতরের স্পষ্ট ছবি পাওয়া যায়। এতে শুধু ব্লকেজের মাত্রাই নয়, প্লাকটি নরম না শক্ত—সেটিও নির্ধারণ করা সম্ভব।








