
বাসন্তী হাইওয়েতে মাক্স পরে দাঁড়ানোই কাল হল সোনারপুরের ত্রাস জামালের। এমনিতেই তক্কে তক্কে ছিল পুলিশ। শুক্রবার রাতে মুখে মাস্ক পরা এক ব্যক্তিকে দেখে সন্দেহ থেকেই পুলিশের কাছে ধরা পড়ে যান জামালউদ্দিন সর্দার। পুলিশের তদন্ত থেকে বাঁচতে ৬ মাস গা ঢাকা দেওয়ার ছক ছিল জামালের।
জঙ্গলেও রাত কাটান তিনি। পরিবর্তন করেন মোবাইল, কেনেন নতুন সিম। কিন্তু স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চিন্তায় ছিল জামাল। তাঁদের নিরাপদে রাখার কথা ভেবে শাশুড়িকে ফোন করে ফেলেন জামাল। তাতেই নিজের জামালকে ট্রাক করতে সুবিধে হয় পুলিশের। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জামালের এক শ্যালককে সোনারপুর থানায় তুলে আনা পুলিশ। বৃহস্পতিবার তিনি রাত কাটান ডানকুনি এলাকায়। জামালকে ধরতে একটি দল তৈরি করেছিল সোনারপুর থানার পুলিশ। যার নেতৃত্বে ছিলেন আইসি আশিস দাস। মহিলার পায়ে শিকল বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ সামনে আসতেই মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি ছেড়েছিলেন জামাল। সন্ধেয় বাড়ি ছাড়েন স্ত্রী-ছেলেও। এরপর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন জামাল।









