
ঘুষের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হিকে। এক বিশেষ তদন্ত দলের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই অভিযোগ দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক আইন ঘিরে সংকট ও ক্ষমতাধর এই দম্পতিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত কেলেঙ্কারির তদন্তকে আরো গভীর হলো।
দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশেষ প্রসিকিউশন দল জানিয়েছে,সামরিক আইন সংকট ও নানা কেলেঙ্কারিকে ঘিরে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।একইসঙ্গে দলটির দাবি,এই বিষয়ে তদন্ত আরো জোরালো করতে হবে।ইউন ও কিম দুজনকেই গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।ইউনের বিরুদ্ধে দেশটিতে সামরিক আইন চাপিয়ে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টার জেরে এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর, তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে বিচার চলছে।নতুন উদারপন্থী প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জুনের শুরুতে ক্ষমতায় আসার পর, ইউন ও কিমের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা তদন্তে নিযুক্ত হয়েছেন বিশেষ তদন্তকারীরা।অভিযোগ গঠনের পর এক বিবৃতিতে কিম কিওন হি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তিনি কোনো অজুহাত দেবেন না এবং আদালতের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। এদিকে বিশেষ তদন্তকারীদের দাবি, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে কিম স্টক মার্কেট জালিয়াতির মাধ্যমে ৮১০ মিলিয়ন ওয়ন অর্থাৎ প্রায় ৫.৮৩ লাখ মার্কিন ডলার অবৈধভাবে আয় করেছিলেন।এ ছাড়া, তাকে ইউনিফিকেশন চার্চের এক কর্তার কাছ থেকে ৮০ মিলিয়ন ওয়ন মূল্যের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ঘুষের মধ্যে দুটি শ্যানেল ব্র্যান্ডের ব্যাগ ও একটি হীরার হার ছিল। বিনিময়ে তিনি ঐ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক স্বার্থে প্রভাব খাটিয়েছেন বলে অভিযোগ। আর,কিম কিওন হি একসময় দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
