
ড্র দিয়ে উয়েফা নেশন্স লিগ শুরু করেছিল স্পেন। তবে শুরুর সেই বিবর্ণতা কাটিয়ে টানা পাঁচ জয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
এই ম্যাচে দুই দফায় এগিয়ে যায় স্পেন। আর দুবারই লড়াইয়ে ফিরে প্রতিপক্ষের মাঠে পয়েন্ট পাওয়ার আশা জাগায় সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ সময়ে পাল্টে গেল চিত্র।নাটকীয় জয়ে নেশন্স লিগের গ্রুপ পর্ব শেষ করল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ঘরের মাঠ এস্তাদিও হেলিওডোরাস রদ্রিগেজ লোপেজ স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে জয় পায় স্প্যানিশরা।শুরু থেকে পজেশন ধরে রাখায় আধিপত্য করলেও, প্রথম আধ ঘণ্টায় গোলের জন্য লক্ষ্যে কোনো শটই রাখতে পারেনি স্পেন।এরপরই ঘটনাবহুল এক গোলে এগিয়ে যায় তারা। বক্সে আলভারো মোরাতা ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্পেন। পেদ্রির স্পট কিক ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক, তবে বল ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেনি সুইসরা। নিকো উইলিয়ামসের ভলি গোললাইন থেকে ফেরান এক ডিফেন্ডার। ফিরতি বল ভলিতেই জালে পাঠান পিনো।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন মন্তেইরো। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বাইরে মেরে বসেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।৬৩ মিনিটে আর ভুল করেননি মন্তেইরো। সতীর্থের ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান দিক দিয়ে প্রতিপক্ষের দু’ জনের বাধা এড়িয়ে কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।পাঁচ মিনিট পরই অবশ্য লিড পুনরুদ্ধার করেন হিল।প্রথমে বক্সে প্রতিপক্ষের পায়ে মেরে বলের নিয়ন্ত্রণ হারান তিনি। তবে বল কেড়ে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে জালে পাঠান ৬০ মিনিটে বদলি নামা ২৩ বছর বয়সী উইঙ্গার।চোটে ছিটকে যাওয়া লামিনে ইয়ামালের বদলি হিসেবে দলে ডাক পাওয়া হিলের আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথম গোল এটি।৮৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে স্কোরলাইন ২-২ করেন জেকিরি। প্রতিপক্ষের সিয়েরোকে স্পেনের ফাবিয়ান রুইস বক্সে ফেলে দিলে পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি।অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে সফল স্পট-কিকে জয়সূচক গোল করেন ৬৯ মিনিটে বদলি নামা সারাগোসা। তিনি নিজেই আদায় করে নিয়েছিলেন পেনাল্টি।
সব মিলিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে স্পেনের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত হয়েছিল আগেই।অন্যদিকে এই ম্যাচের আগে বি লিগে নেমে যাওয়া নিশ্চিত হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের।







