
কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে কিছুটা চাপে ছিল স্পেন। তবে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে ভয়ংকর রূপে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিল স্পেন।আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে এইচ গ্রুপের ম্যাচের শুরু থেকেই মুহুর্মুহু আক্রমণে সৌদি রক্ষণভাগের নাভিশ্বাস তুলে ছাড়ে স্পেন।
২০১০ আসরের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় ৩ গোলে। বিরতির পর পায় আরো ১ গোল।চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরু থেকে খেলতে পারেননি লামিনে ইয়ামাল।স্পেনও পায়নি গোলের দেখা। সেই ম্যাচে গোল না পাওয়ার হতাশা আজ যেন সুদে-আসলে মিটে নিয়েছে স্পেন। ইয়ামাল শুরুর একাদশে ফিরতেই চেনা ছন্দে ফিরেছে স্প্যানিশরা। ১০ মিনিটে প্রাণভোমরা ইয়ামালই প্রথম গোলটা করেন। ২১ ও ২৪ মিনিটে পরের দুটি গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল।কেপ ভার্দের বিপক্ষে এই ওইয়ারজাবাল প্রথম ৩০ মিনিট বলেই স্পর্শ করতে পারেননি। ১৯৬৬ সালে রেকর্ড রাখা শুরু করার পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এমন বিব্রতকর রেকর্ড গড়েন তিনি। সেই ওইয়ারজাবাল ৩৬ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক প্রায় করেই ফেলেছিলেন। কিন্তু বক্সের বাঁ পাশ থেকে নেওয়া তার শটে বল বারে ফেরায় নিজের তৃতীয় গোলটা পাওয়া হয়নি। তবে ইয়ামালের গোলে বলের জোগান দিয়ে নতুন এক কীর্তি গড়েছেন ওইয়ারজাবাল। বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে দ্রুততম সময়ে জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্টের রেকর্ড এখন তার।বিরতির পর ম্যাচের ৪৯ মিনিটে সৌদি আরবের বিপদ বাড়ান হাসান আলতামবক্তি। সৌদির এই সেন্টার ব্যাক নিজেদের জালে বল জড়ালে ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।
তখন মনে হচ্ছিল, স্পেন বুঝি বিশাল ব্যবধানে জিততে চলেছে। তবে এরপর ইয়ামালদের আর গোল করতে দেয়নি সৌদি। এর বড় কৃতিত্ব সৌদি গোলকিপার মোহাম্মদ আল ওয়াইসের। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ কিছু সেভ করেছেন তিনি।বদলি নামা ফেরান তোরেস শেষ দিকে সৌদির জাল কাঁপিয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
