
স্যালাইন নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষ সিনিয়র সচিব চৈতালি চক্রবর্তীকে।
ওষুধ কেনা ও সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই বিভাগে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের দায়িত্বে থাকা বিশেষ সচিব শুভাঞ্জন দাসকে নিয়ে আসা হয়েছে। চৈতালি চক্রবর্তীকে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের পরিকল্পনা ও স্ট্র্যাটেজি বিভাগের দায়িত্ব। বিজেপি পরিষদীয় দলের দাবি শুভেন্দু অধিকারীর কোনও প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। সেই কারণেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে স্বাস্থ্যসচিবকে। ওই বৈঠকেই চৈতালিকে সরিয়ে শুভাঞ্জনকে দায়িত্বে আনার বিষয়টি ঠিক হয় বলে খবর। এরইমধ্যে বুধবার স্বাস্থ্যভবন অভিযান করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। এদিকে স্যালাইন নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য এবং পরিবারকল্যাণ দফতরের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছেও। ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রিঙ্গার লাকটেট স্যালাইন পুরোপুরি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছেন স্যালাইন প্রস্তুতকারক সংস্থার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে তা নিয়ে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্যও রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।
