
শ্রীলঙ্কার মাটি এবং জলপথ ব্যবহার করে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা দিশানায়েক। গত কয়েক বছরে চিনের বেশ কিছু জাহাজ শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে, ভারত মহাসাগরে ঘুরপাক খেয়েছে। শ্রীলঙ্কার হামবানটোটা আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দরের একাংশ ইজারা নিয়েছে চিন। অর্থাৎ ওই বন্দরের একটা অংশ ব্যবহারের মালিকানা চিনের হাতে।
এই পরিস্থিতিতে মোদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রথমবার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। পরে বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রিও শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্টের আশ্বাসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে উঠে এসেছে মৎস্যজীবীদের প্রসঙ্গও।
ভারতীয় মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে কখনও কখনও ভুলবশত শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশ করে যান। এমন বেশ কয়েক জন মৎস্যজীবী এখনও শ্রীলঙ্কার জেলে বন্দী। ভারতীয় মৎস্যজীবীদের যাতে অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়া হয়, সেকথাও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছেন মোদী। পরে বিদেশসচিব মিশ্রি জানিয়েছেন, শীঘ্রই ১১ জন মৎস্যজীবীকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা কর্তৃপক্ষ।
