চাকরি হারানোর হাহাকার জেলায় জেলায়

0
205
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
ছেলে বউমার চাকরি বাতিলের খবরে হার্ট অ্যাটাকে মায়ের মৃত্যু, কোথায় জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও করে চাকরি হারানো যোগ্য শিক্ষকদের বিক্ষোভ। ২৬ হাজার চাকরি বাতিলে কার্যত রাজ্যজুড়ে হাহাকার শিক্ষক শিক্ষিকাদের।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছে ছেলে, বৌমার। খবর পেয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের সোনাকুড় গ্রামের বাসিন্দা বছর ৬৯-র মঞ্জুলা যশের। মঞ্জুলার ছেলে অর্ণব যশ বীরভূমের চাতরা গণেশলাল হাইস্কুলের ভূগোলের শিক্ষক। তাঁর স্ত্রী চন্দ্রাণী দত্তও বীরভূমের নওয়াপাড়া হাইস্কুলের ভূগোলের শিক্ষিকা। চাকরি হারিয়ে বিপাকে চন্দ্রকোণার শিক্ষক দম্পতি। ২০১৮-য় একইসঙ্গে চাকরি পেয়েছিলেন শান্তিনাথ ভূঁইয়া এবং তাঁর স্ত্রী রুবি চংদার ভূঁইয়া। চন্দ্রকোণার শান্তিনাথ ভূঁইয়া হুগলির স্কুলের শিক্ষক। শান্তিনাথের স্ত্রী রুবি ভুঁইয়াও গোঘাটের একটি স্কুলের শিক্ষিকা। চাকরি হারিয়ে কার্যত মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে শিক্ষক দম্পতির। লোনের ইএমআই দিয়ে সংসার চালাবেন কিভাবে তা নিয়ে ভেবেই পাচ্ছেন না ভূঁইয়া দম্পতি। চাকরি বাঁচেনি নদিয়ার বীরনগর হাইস্কুলের শিক্ষাকর্মী সোমনাথ মালোর। বুশান প্যারা এশিয়ান গেমসের হাই জাম্পে ভারতের হয়ে জিতেছিলেন স্বর্ণপদক। ২০১৬-য় শিক্ষাকর্মী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাহেরপুরের বাসিন্দা ক্যানসার আক্রান্ত সোমনাথ। চাকরিহারাদের তালিকায় রয়েছে তৃণমূল কাউন্সিলরও। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষ ৫ বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
২০১৬-য় এসএসসি-র প্যানেল হাইস্কুলে চাকরি পেয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পুরো প্যানেল বাতিল হওয়ায় চাকরি হারিয়েছেন কুহেলিও।