
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের বিভিন্ন শিলায় লুকিয়ে আছে পৃথিবীর দীর্ঘ সময়ের নানা গল্প। প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের অনেক অজানা তথ্যের সন্ধান মিলেছে এ গিরিখাতের পাথরে।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রাচীন প্রাণের বিস্ময়কর রহস্যের খোঁজ মিলেছে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের বিভিন্ন শিলায়, এমনই দাবি ভূতাত্ত্বিকদের।বলা হয়,প্রায় ৫০ কোটি বছর আগে শুরু হয় ক্যামব্রিয়ান যুগের বিস্ফোরণ।এটি এমন এক যুগ, যে সময়ে সব ধরনের প্রধান গোষ্ঠীর প্রাণী বিবর্তিত হতে শুরু করে, যা বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়কে চিহ্নিত করেছে।এ সময়ের বিভিন্ন জীবাশ্মের মধ্যে রয়েছে শক্ত খোলসওয়ালা অনেক আদি প্রাণী, যা মানুষ’সহ আজকের বিভিন্ন প্রাণীদের পূর্বপুরুষ বলে মনে করে হচ্ছে।গ্র্যান্ড ক্যানিয়নস টোন্টো গ্রুপ-এ রয়েছে ৫০ কোটি বছর আগে ক্যামব্রিয়ান বিস্ফোরণের সময়কালের বিভিন্ন পাললিক স্তর ও জীবাশ্ম। সাম্প্রতিক গবেষণায় বিখ্যাত এসব শিলার বিভিন্ন স্তরকে পুনরায় পরীক্ষা করেছে ইউটাহ স্টেট ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাপক ক্যারল ডেহলারের নেতৃত্বে নিউ মেক্সিকো ইউনিভার্সিটি বা ইউএনএম-এর অধ্যাপক ফ্রেড সান্ডবার্গ ও সহযোগী এক গবেষণা দল।এ গবেষণায় ক্যামব্রিয়ান যুগের সামুদ্রিক পরিবেশ বোঝার জন্য সুপরিচিত এক মডেলকে আপডেট করেছেন গবেষকরা। ৫০ বছর আগে এ মডেলটি প্রথম তৈরি করেন ভূতত্ত্ববিদ এডি ম্যাককি।ম্যাককির মডেলটিতে উল্লেখ ছিল, বিভিন্ন মহাদেশের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে বয়ে যায় সমুদ্র। ফলে ভূমির ওপর ধীরে ধীরে তৈরি হয় পলির গভীর স্তর।তবে নতুন গবেষণায় এ মডেলটিকে আরও বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন গবেষকরা।
নতুন মডেলে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের শিলার সামুদ্রিক ও অ-সামুদ্রিক উভয় পরিবেশই খতিয়ে দেখেছেন গবেষকরা, যেখানে শিলার অনাবৃত ফাঁক ফোকরে পলি জমার কোনও প্রমাণ পাননি তারা।







