
হোয়াটসঅ্যাপের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মেটা কি আদৌ ইউজারদের ব্যক্তিগত মেসেজ পড়তে পারে,এমন প্রশ্ন যখন মামলার পর্যায়ে পৌঁছেছে, ঠিক তখনই ইউজারদের সুরক্ষা জোরদার করতে নতুন একটি নিরাপত্তা ফিচার চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।
ফিচারটির নাম,স্ট্রিক্ট অ্যাকাউন্ট সেটিংস।হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই সেটিংস বিশেষভাবে সাইবার আক্রমণ ও স্পাইওয়্যার থেকে ইউজারদের রক্ষায় কার্যকর হবে। এদিকে,সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একদল ইউজার মেটার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন থাকা সত্ত্বেও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যক্তিগত বার্তায় প্রবেশাধিকার পেতে পারে। এই বিতর্কে যুক্ত হয়েছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কও। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হোয়াটসঅ্যাপকে অনিরাপদ বলে মন্তব্য করেছেন।তবে হোয়াটসঅ্যাপ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ইউজারদের মেসেজ তারা পড়তে পারে না। হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এই মোডটি মূলত উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ইউজারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। যেমন,সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।এই মোড চালু করলে অপরিচিত নম্বর থেকে পাঠানো ছবি, ভিডিও বা ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হয়ে যাবে।
মেসেজে পাঠানো কোনো লিংকের প্রিভিউ দেখা যাবে না, যাতে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার ডিভাইসে প্রবেশ করতে না পারে। পাশাপাশি অজানা নম্বর থেকে আসা কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাইলেন্ট হয়ে যাবে।
