
নবমীর রাত থেকেই কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির মধ্যেই ঘাটগুলোয় চলে প্রতিমা নিরঞ্জন।
প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্নে করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল পুরসভা এবং প্রশাসন। বড় বারোয়ারি পুজোগুলোর প্রতিমা নিরঞ্জন না হলেও বনেদি বাড়ি এবং ছোট পুজো কমিটিগুলো দশমীতেই প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছেন। দুপুরের পর থেকেই কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলোয় ভিড় জমতে শুরু করে। নবমীতেই ঘাটগুলোতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। দশমীর দুপুরে বাজে কদমতলা ঘাট পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার। পরসভা এবং পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘাটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন। এরপর প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি।
কোনওরকম দুর্ঘটনা এড়াতে বাগবাজার, বাজে কদমতলা, গোয়ালিয়র ও নিমতলা ঘাটে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে তৈরি রাখা হয়েছে। এছাড়া ওয়াচ টাওয়ার মাধ্যমে নজরদারি রাখা হয়েছে।
