
ছবির প্রচারে হাজির টিম অভিমান। আগের দিনই দেশু ৭-এর মহরত হয়ে গিয়েছে।
তার মাঝে অভিমান-এর প্রমোশন। ব্যস্ত শুভশ্রীও। কতটা ওয়ার্কোহলিক তিনি,শুভশ্রীর উত্তর,তেমন বলবেন না। তবে কাজ করতে ভালোবাসেন। কাজের প্রতি ভীষণ প্যাশনেট, কমিটেড। তাই বলে সবসময়ই কাজ নিয়ে ভাবেন, এমনটা নয়। কাজের মাঝেই সবকিছু করেন,পরিবারকে সময় দেন। সবসময় ব্যালান্স করতে চেয়েছেন।এদিকে,এই প্রথম প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক ছবিতে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ-র সঙ্গে প্রথম কাজে আপ্লুত শুভশ্রী। তাঁর বিপরীতে কাজ করতে পারাটা শুভশ্রীর কাছে বড় প্রাপ্তি। সেই প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর সংযোজন, প্রাপ্তির ঝুলিতে প্রচুর কিছু যোগ হয়েছে। প্রসেনজিৎ আছেন মানে একটা ভরসার জায়গা। প্রসেনজিৎকে দেখে অনেক কিছু শিখেছেন। ইন্সপিরেশন, তাঁর আইডল। এত বছর কাজ করার পর, সাড়ে চারশোর বেশি ছবি করার পর একটা মানুষের যে ডেডিকেশন,যে কাজের খিদে, সফল হওয়ার পরেও বারবার প্রত্যেকটা কাজে নিজেকে আরও বেশি করে প্রমাণ করার যে তাগিদ এটা সত্যিই শেখার মতো।অন্যদিকে ব্যাক টু ব্যাক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তর সঙ্গে কাজ করছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী। শুভশ্রীর কথায়, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তর সঙ্গে তাঁর কমফর্ট জোন অন্য লেভেলের। আইডি তাঁকে নিজের মেয়ে বলেন। প্রফেশনালি আইডির জার্নিকে শুভশ্রী সম্মান করেন। মিউজিক ডিরেক্টর হিসাবে ইন্দ্রদীপ খ্যাতনামা। তবে ডিরেক্টর হিসাবে ইন্দ্রদীপ যে গল্পগুলো বলছেন সেগুলো খুব ইন্টারেস্টিং। কোনও ছবি কিছু মানুষের ভালো লাগবে, কিছু মানুষের ভালো লাগবে না। আইডির কিছু ছবি খুব ভালো চলেছে, কিছু ছবি নিয়ে চর্চা হয়েছে। আবার কিছু ছবি চলেনি।শুভশ্রীর মতে ,আমরা সবাই ভালোবাসতে ভালোবাসি। আমরা সবাই প্রেমে পড়তে ভালোবাসি। অভিমান করতে ভালোবাসি। বিরহের যে যন্ত্রণা সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে ভালোবাসি। তাই সেই সম্পর্কের ছবি যখন দর্শক দেখেন তখন ভাবেন এই অভিমানটা না করলেই ভালো হত। ফোন করে মিটিয়ে নেওয়া যেত।
আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এতটাই ব্যস্ত হয়ে গেছি যে আমরা আমাদের অনেক ফিলিংসকে ইগনোর করে যাই। সিনেমা ঠিক তেমনই একটা মিডিয়াম যেখানে আড়াই ঘণ্টা সেই দিকগুলোকে ছুঁয়ে যাওয়া যায়।
