
রমজানে বড়দের দেখে অনেক শিশুও রোজা রাখতে চায়। তবে গরমের এই সময়ে ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে থাকা তাদের জন্য বেশ কঠিন।তাই শিশুদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি।
শিশুকে হুট করে পুরো দিন রোজা রাখতে না দিয়ে শুরুতে অর্ধেক দিন ,সেহরি থেকে দুপুর পর্যন্ত রোজা রাখার অভ্যাস করান।এতে সে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে পারবে। সাধারণত ৭-৮ বছর বয়স থেকে শিশুদের এই অভ্যাস করানো যেতে পারে।এবার প্রশ্ন হলো,সাহরিতে কী খাওয়াবেন?শিশুর শরীরে সারা দিন শক্তি বজায় রাখতে সাহরিতে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন।যেমন,ভাত, পাতলা খিচুড়ি, সবজি, মাছ বা মুরগির মাংস। শরীরে ক্যালরি ধরে রাখতে খেজুর বা কলা খাওয়ান। পর্যাপ্ত জল পান করান যেন শরীরে জলের অভাব না হয়।পাশাপাশি,ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে পুষ্টিকর ও মজাদার খাবার দিন।
পানীয় হিসেবে রাখতে পারেন ডাবের জল,লেবুর শরবত বা তাজা ফলের জুস। এ ছাড়া মুরগির মাংস ও চিজ স্যান্ডউইচ,পাস্তা, নুডলস বা সবজি রোল। মিষ্টিজাতীয় খাবার যেমনঃ,দই-চিড়া-কলা, পুডিং, কাস্টার্ড বা ব্যানানা শেক শিশুর ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।পাশাপাশি,ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত শিশু যেন পর্যাপ্ত জল পান করে সেদিকে কড়া নজর রাখুন। গরমে রোজার সময় শিশুকে নিয়মিত স্নান করান এবং দুপুরে কিছুটা সময় বিশ্রাম বা ঘুমের সুযোগ দিন।আর,শিশু যেন রোজা রেখে মানসিকভাবে আনন্দিত থাকে, সে জন্য পরিবারের সবাই তাকে উৎসাহিত করুন।








