
২৬ হাজার চাকরি বাতিলেও দায় নিতে নারাজ এসএসসি। কার্যত একই পথে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখতে বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ এমনকি সদ্য পদত্যাগী তৃণমূল সাংসদ জওহর সরকারও।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ওপর আবার ভরসা করলে সবাই আবার ডুববেন। তাঁর কথায় সবে শুরু হয়েছে। সব জায়গাতেই নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিয়োগ হয়েছে। টাকা নিয়ে চাকরি চুরি হয়েছে। তাই কোর্ট চাকরি বাতিল করেছে। সুকান্ত মজুমদারের কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেলে না ঢেকাতে পারলে সুরাহা মিলবে না। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ শিক্ষামন্ত্রীর দায় এড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন ২৬ হাজার শিক্ষক রাস্তায় বসে গেলেন। অথচ শিক্ষামন্ত্রী কিছু জানতেন না তা হয় নাকি। কার্যত একই সুর শোনা গিয়েছে জওহর সরকারের গলাতেও। সদ্য পদত্যাগী তৃণমূল সাংসদ বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসক হিসেবে কিছু না জানলে সেটা ব্যর্থতা। আর জেনে ছাড় দিয়ে থাকলে ঠিক করেন নি।
তাঁর কথায় জানুন বা না জানুন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকেই যায়। শুক্রবারের পর শনিবারও পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলাশাসকের অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিহারারা। মানব বন্ধন করে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন।
