
তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। দলও ছেড়েছেন তিনি। সোমবার সকালে দিল্লি থেকে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন সুখেন্দুশেখর। সেই সঙ্গে আরজি করের ধর্ষণ-খুনের ঘটনা এবং দুর্নীতি নিয়ে দলের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন।
দাবি, আরজি কর-কাণ্ডের পরেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। এত দিনে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করলেন। দিল্লি থেকে সুখেন্দুশেখর রায় জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজনীতি থেকেও তিনি অবসর নিতে পারেন। সুখেন্দুশেখরের দাবি, দলের অন্দরে দুর্নীতি এবং দল নিয়ে মানুষের ক্ষোভ মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তাই পতন ছিল অনিবার্য। তবে তৃণমূলের সকলে অসৎ, এ কথা তিনি মানতে চাননি। দাবি, সৎ নেতারা দলের অন্দরে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন।একইসঙ্গে দলের জাতীয় স্তরের নেতাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সুখেন্দুশেখর রায়। ইস্তফার পর একের পর এক বোমা ফাটান প্রাক্তন সাংসদ।
সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, দল যেভাবে চলা উচিত, চলেনি। এত বড় বিপর্যয়ের পর যেভাবে বিশ্লেষণ করা দরকার ছিল, তা হয়নি। যাঁরা নানা কমিটিতে রয়েছেন, তাঁদের মতামত নেওয়া হত না। নিরুপায় হয়ে তা সত্ত্বেও অনেকে দাঁতে দাঁত চেপে ছিলেন। মানুষ সরকারের প্রতি অনাস্থাজ্ঞাপন করেছে। মানুষ যখন অনাস্থাজ্ঞাপন করে তখন বুঝতে পেরেছেন দল জনমন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। অন্য দিকে, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কোয়েল মল্লিককে নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনিও দল ছাড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও কোয়েল আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও ঘোষণা করেননি।
