বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনে ফাঁক রয়েছে

0
431

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনে বেশ কিছু খামতি রয়েছে,এমনটাই জানিয়ে খামতিগুলি দূর করতে কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ বলেছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের পছন্দের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ইচ্ছা আইনের পথে অন্তরায় হতে পারে না। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের পথ রোধ করতে পারে না ব্যক্তি অধিকারের আইন।পাশাপাশি ২০০৬ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের মূল ভাবনার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এক্ষেত্রে অপরাধীর শাস্তি শেষ পন্থা হিসাবে অবলম্বন করতে হবে। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনটির নানা ধারা ২০০৬ সালে সংশোধন করা হলেও এখনও কিছু ফাঁক রয়ে গিয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে। সেই ফাঁকগুলি মেরামতের পাশাপাশি আইন প্রযুক্তকারীদের সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলেছে শীর্ষ আদালত।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনে বেশ কিছু ফাঁকফোকর রয়ে গিয়েছে বলে জানিয়ে শীর্ষ আদালত বলেছে অপ্রাপ্তবয়স্কদের পছন্দমতো বিয়ে করার অধিকারের যুক্তি দিয়ে কখনওই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন লঙ্ঘন মেনে নেওয়া যেতে পারে না। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ বলেছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের পছন্দের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ইচ্ছা আইনের পথে অন্তরায় হতে পারে না। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের পথ রোধ করতে পারে না ব্যক্তি অধিকারের আইন।

পাশাপাশি, ২০০৬ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের মূল ভাবনার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধীর শাস্তি শেষ পন্থা হিসাবে অবলম্বন করতে হবে। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনটির নানা ধারা ২০০৬ সালে সংশোধন করা হলেও এখনও কিছু ফাঁক রয়ে গিয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে।

সেই ফাঁকগুলি মেরামতের পাশাপাশি আইন প্রযুক্তকারীদের সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলেছে শীর্ষ আদালত।

 

ছবি সৌজন্যে – রিপ্রেসেন্টেশনাল