
নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের নয়, নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে চান, দেশজুড়ে অশান্তির আবহে এমনটাই জানিয়েছেন কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার আগ্রহ তাঁর নেই, আগে পার্লামেন্ট ভেঙে ফেলতে হবে, তারপর নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে তিনি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে চান।
যদিও সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সহ ১১ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করলেও, এইভাবে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া যায় না। তাই আপাতত ভরসা অন্তর্বর্তী সরকারের। এদিকে, নেপালে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক সেরেছেন সে দেশের সেনাপ্রধান। যদিও কে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হবেন সুশীলা কার্কি নাকি কুল ম্যান ঘিসিং সেই নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে বিস্তর। যদিও, কাঠমাণ্ডু থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ও দুর্নীতি দমন আন্দোলনের প্রবীণ কর্মী সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সমর্থন জানিয়েছে বিক্ষোভকারীদের বড় অংশ। জানা গেছে, তিনি সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন। তবে ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই বিক্ষোভকারীদের আরেক অংশ বিবৃতি দিয়ে নেপালের বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের জন্য কৃতিত্বপ্রাপ্ত বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিং-কে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করে।
তারা বলছে, সংবিধান অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা বিচারব্যবস্থার বাইরের কোনো পদে বসতে পারেন না এবং জেন-জিদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্কি অতি প্রবীণ। কুলমান ঘিসিংকে তারা সবার প্রিয় ও দেশপ্রেমিক আখ্যা দেয়। এ বিভাজন বৃহস্পতিবার বিকেলে কাঠমাণ্ডুতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ সৃষ্টি ক





