
মদ খেয়ে গাড়ি চালিয়ে ৬ জনকে চাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোটপর্দার পরিচালক সিদ্ধান্ত দাসের বিরুদ্ধে। আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।
ক দিন আগে ঠাকুরপুকুর বাজারের কাছে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বেশকয়েকজন পথচারীকে ধাক্কা দেয় পরিচালক সিদ্ধান্ত দাসের গাড়ি। ইতিমধ্যে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা মামলায় পরিচালক সিদ্ধান্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তে সমালোচনার ঝড় উঠেছে টলিউডে। এবার সেই ঘটনায় মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশের দায়িত্বহীনতার ওপরেও।সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ এক পোস্টে স্বস্তিকা লিখেছেন, এতদিন জানতেন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালান গুরুত্বর অপরাধ। ধরা পড়লে পুলিশ কোনো কথা শোনে না। কোনো রকম ক্ষমতা, পরিচিতি, কার ছেলে,এই মার্কা অ্যাটিটিউড কাজ করে না। সোজা কারাগার। কলকাতায় নাকি পুলিশ এই নিয়ে খুবই কড়াকড়ি করে। তাই জানেন এবং তাই দেখেছেন। কড়া নাকাবন্দি, চেকিং, গাড়ি তে মহিলা থাকলেও কোনো আপোষ নয়। এরপরই স্বস্তিকার প্রশ্ন, তাহলে এত মারাত্মক একটা ঘটনায় সবাই কী করে জামিন পেয়ে গেল? যে মহিলা বাজার থেকে পালাল তাকে নাকি ধরা হয়নি। সে কে? তাকে ছেড়ে দেওয়া হল কেন? যে রাস্তায় গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ সেই রাস্তায় গাড়ি চাপা দিয়ে একজনকে মেরে ফেললো।এতজন হাসপাতালে। এত রকম খবর ঘুরছে যে সঠিক কজন আহত হয়েছে তা বোঝা কষ্ট। কিন্তু একজনের মৃত্যুটা ইয়ার্কি? একইসঙ্গে,অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি লিখেছেন, সহ্যের একটা সীমা থাকে। সবাই দেউলিয়া হয়ে গেছি। এদের বাঁচানোরও লোক আছে? শাস্তি না পেলে এর শেষ কোথায়? গাড়ি যে চালাচ্ছিল এবং গাড়িতে যে দু’জন মহিলা ছিল তারা সমান অপরাধী। এদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এদিকে এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে পুলিশ জানিয়েছে, ঠাকুরপুকুর বাজারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে পরিচালকের গাড়ি।সাত-আটজনকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর সময় সাধারণ মানুষ গাড়িটি ধরে ফেলে।তখন গাড়ির চালকের আসনে বসা ছিলেন পরিচালক সিদ্ধান্ত নিজেই। হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হলে পরিচালক সিদ্ধান্ত দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।








