
রক্ত পরীক্ষা ছাড়াই ফ্যাটি লিভার ও ইনসুলিন প্রতিরোধ কিভাবে শনাক্ত করা যায় এমন ৫টি উপায় জানিয়েছেন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরা।বলা হচ্ছে, ফ্যাটি লিভার ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স একসঙ্গে থাকলে এটি একটি বিপজ্জনক চক্র সৃষ্টি করে।
আসলে,লিভারে চর্বি জমা হলে শরীর সঠিকভাবে ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না, যার ফলে আরো চর্বি জমা হয় এবং ধীরে ধীরে লিভারের প্রদাহ বা ক্ষতি হতে পারে, যেমন এন এ এস।এখন বলা হচ্ছে কিছু সাধারণ শারীরিক লক্ষণ রক্ত পরীক্ষা ছাড়াই ফ্যাটি লিভারের ইঙ্গিত দিতে পারে।এই লক্ষণগুলো হলো,পেটের ভিসারাল ফ্যাট ,পেট খুব স্পষ্ট ও শক্ত থাকলে এটি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকির লক্ষণ।ঘাড় বা বগলের ত্বকের ট্যাগ,ছোট ছোট ত্বকের ট্যাগ বা আঁচিল ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের প্রাথমিক লক্ষণ।পায়ে লাল বা বেগুনি রেখা,বিশেষ করে গোড়ালির কাছে দেখা গেলে এটি ইনসুলিন প্রতিরোধের ইঙ্গিত।ফুলে থাকা মুখ বা অদৃশ্য গালের হাড়,ফ্যাটি লিভারের সম্ভাব্য চিহ্ন।সিস্টেমিক ব্লাড প্রেশার যদি ১৪০/৯০ বা তার বেশি হয়, তবে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্লিনিকাল লক্ষণ।
এখন এই শারীরিক লক্ষণগুলো সতর্কতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়মতো খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারা পরিবর্তন ও চিকিৎসার মাধ্যমে ফ্যাটি লিভারের প্রগতিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। শুধু রক্ত পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে, এই সহজ শারীরিক লক্ষণগুলোর মাধ্যমে মানুষ নিজের লিভারের স্বাস্থ্য যাচাই করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিতে পারেন।
