
কাটিহার এক্সপ্রেসের বাঙ্কার থেকে তবলা বাদকের চাদর চাপা দেওয়া দেহ উদ্ধার হয়েছে। ডাউন কাটিহার এক্সপ্রেস হাওড়ায় পৌঁছনোর পর রেল ইয়ার্ডে চলে যায়। তখন ট্রেন পরিষ্কার করতে গিয়ে বেলুড়ের বাসিন্দা বছর ৫১-র সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় নামে ওই তবলা বাদকের চাদর চাপা দেওয়া রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।
খোঁজ নেই মোবাইল ফোন,মানিব্যাগের। ট্রেনের পিছনের কামড়ায় বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের জন্য যে সংরক্ষিত কোচ রয়েছে, ওই কোচের বাঙ্কারেই পড়েছিল দেহটি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ও বিশেষভাবে সক্ষম ছিলেন। শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। রেলপুলিশের অনুমান ট্রেনের মধ্যেই খুন করা হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। পেশায় তবলাবাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় প্রায়ই কাটিহারে যেতেন তবলা শেখাতে। সেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানও করতেন। এবার ১৮ নভেম্বর কাটিহারে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে কাটিহার থেকে ফেরার ট্রেন ধরেন। মঙ্গলবার সকালেই বাড়ি ফেরার কথা ছিল।
কিন্তু রাতেও বাড়ি না ফেরায় হাওড়া জিআরপিতে অভিযোগ জানান পরিবারের লোকজন। এরপরেই ট্রেন থেকে দেহ উদ্ধার হয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান জিআরপি, আরপিএফের।
