
হাতের চ্যানেলেই চিকিৎসক শালিনী দাসের মৃত্যু নিয়ে রহস্য বাড়ছে। মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে ২ সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। শালিনীর মায়ের দাবি শুক্রবার মেয়ে বাড়ি ফেরার পরে তাঁর হাতে চ্যানেল করা ছিল। শনিবারই মেয়ের দ্রুত ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বাবা।
কলকাতার দমদমের বাসিন্দা শালিনী দাস পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ৩ মাস ধরে কর্মরত ছিলেন। তার আগে তিনি তমলুক হাসপাতালে ছিলেন ২ বছর। অ্যানাস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎস শালিনী বিভিন্ন নার্সিংহোমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তমলুকে মায়ের সঙ্গে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কাজে বেরিয়েছিলেন। পরিবারের দাবি প্রথমে মহিষাদলের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে যান। সেখান থেকে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে যান। এরপর বাড়ি ফেরেন সকাল ১১টায়। মায়ের দাবি সেই সময় শালিনীর হাতে চ্যানেল করা ছিল। কিন্তু সকালে যখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তখন কোনও চ্যানেল ছিল না। মায়ের দাবি বাড়ি ফেরার পর হঠাৎ করেই মাটিতে পড়ে যান।
এরপর হাতের চ্যানেল থেকে রক্তপাত শুরু হয়। দ্রুত তাকে পাশের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তমলুক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় শালিনীর। কি কারণে মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।







