
মাটির বাড়ি বানিয়েছি নাকি, ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডে হেলে পড়া বহুতল ভাঙতে গিয়ে মহিলাদের বিক্ষোভে খালি হাতে ফিরতে হল পুরকর্মীদের। ছাদ হারানোর আশঙ্কায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কেউ কেউ।
বৃহস্পতিবার সকালে ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডে হেলে পড়া বহুতল ভাঙতে গিয়ে মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীরা। বিল্ডিংয়ের গেট আটকে রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে এলাকায় আসতে হবে বলে দাবি জানাতে হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তাঁদের অন্যত্র থাকার জায়গা নিশ্চিত করা হবে ততক্ষণ বহুতলে একটিও ইট ভাঙতে দেবেন না বলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁরা অভিযোগ করতে থাকেন বাড়ি তৈরির সময় যখন টনক নড়েনি এখন কেন ভাঙতে এত তৎপর হচ্ছে পুরসভা। কেঁদে কেঁদে কেউ কেউ বলতে থাকেন কষ্টের টাকা ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, বাড়ি ভাঙলে কোথায় যাবেন প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। কলকাতা পুরসভার ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের ক্রিস্টোফার রোডের নির্মীয়মাণ বহুতলটিকে বেআইনি বেল চিহ্নিত করেছে পুরসভা। সেই বহুতলটি যেমন হেলে রয়েছে, তেমনই হেলে রয়েছে পাশের সবুজ রংরে বহুতলটিও। হরিয়ানার বিশেষজ্ঞরা বুধবারই এলাকা পরিদর্শন করে জানিয়েছিলেন সাদা রংয়ের বাড়িটিই হেলে পড়েছে সবুজ রংয়ের বহুতলের ওপর। সবুজ রংয়ের বহুতল সোজা করা সম্ভব। এরপরেই সাদা বাড়িটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বাসিন্দাদের অভিযোগ ৩ তারিখে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হবে বলে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ৩০ তারিখ কেন পুরসভার লোকজন বাড়ি ভাঙতে চলে এসেছেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা।
