
যে দেশে নারীসমাজের জন্য আওয়াজ তুলে বিতাড়িত হতে হয়েছে, সেদেশের প্রত্যেক মুহূর্তের নৈরাজ্যের খবর তাঁর সোশাল ওয়ালে। বরাবর বাংলাদেশের যে কোনও ইস্যু নিয়ে তিনি সরব।
এবার হাসিনা পরবর্তী অধ্যায়ে বদলার বাংলাদেশে বিপ্লবী ছাত্রদের কর্মকাণ্ড দেখে কলম ধরেছেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। এবার তাঁর খোঁচা আজমেরী হক বাঁধনকে আগস্ট মাসে উত্তাল বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে বেশ সক্রিয় ছিলেন বাঁধন।রাস্তায় নেমে ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।সওয়াল করেছিলেন দেশের সংস্কারের পক্ষে।কখনও হাসিনা বাহিনীর জলকামানের মুখে তাঁকে মাইকে চিৎকার করে বলতে শোনা গিয়েছে,এই দেশটা আমার, এই দেশের সংস্কার করব আমরাই…। আবার কখনও বা অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে আঁশবঁটি হাতে রাতের ঢাকায় পাহাড়া দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। বাঁধন বরাবরই সাহসী। স্বাধীনচেতা। স্পষ্টভাষী। স্বৈরাচার হাসিনাতন্ত্র থেকে মুক্তি পেতেই ঢাকার রাজপথে নেমে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে তিনি যোগ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। শেখ হাসিনা পতনের পর মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশেও অশান্তির অন্ত নেই। গত ক দিনে দফায় দফায় বিপ্লবী ছাত্রদের কর্মকাণ্ড দেখে স্তম্ভিত সভ্য সমাজ।বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে লঙ্কাকাণ্ড থেকে নারায়ণগঞ্জের সূতিকাগার গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো বহু ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে বাংলাদেশ থেকে। এবার সেই আবহেই আজমেরী হক বাঁধনের খোঁজ করেছেন তসলিমা নাসরিন। অভিনেত্রী দেশ সংস্কারের দাবি তুলেছিলেন আগস্টে, নতুন রাষ্ট্রে কী কী সংস্কার তিনি করেছেন? জানতে চেয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। বাংলাদেশ থেকে নিত্যদিন যে হিংসার ছবি প্রকাশ্যে আসছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এমতাবস্থায় ফেসবুকে ছাত্র আন্দোলনের সময়ের বাঁধনের একটি ভিডিও পোস্ট করে তসলিমা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন,এই মহিলাটি যে গলা ফাটিয়ে দেশের সংস্কার করবে বলল,এইপর্যন্ত দেশের কী কী সংস্কার করেছে সে?লেখিকার সেই পোস্টে অনেকেই আজমেরী হক বাঁধনকে কটাক্ষ করেছেন।কেউ বা আবার অভিনেত্রীকে অমাবস্যার চাঁদ বলেও তোপ দেগেছেন।
