বিজেপিতে রুদ্রনীল,সমালোচনায় তসলিমা

0
9

ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তার এই রাজনীতিতে যোগদানকে ভালো চোখে দেখছে না ফ্যানদের একটি অংশ। সোশ্যাল সাইটে চলছে তুমুল তর্কবিতর্ক-সমালোচনা।

দিল্লি গিয়ে অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা রুদ্রনীল। পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট শাসনের সময় ক্ষমতাসীনদের সমর্থক ছিলেন রুদ্রনীল। এরপর তৃণমূলে তিনি মমতার সমর্থক হয়ে যান। এবার যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে।রুদ্রনীলের সমালোচনায় সরব হয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সোশ্যাল সাইটে তিনি লিখেছেন, ফেসবুকে ঢুকলেই দেখি রুদ্রনীল রুদ্রনীল,কী ঘটেছে জানিনা। তবে নামটি দেখলে একটি দিনের কথা মনে পড়ে। আমি তখন কলকাতায় রওডন স্ট্রিটের ৭ নম্বর বাড়িতে থাকি। সম্ভবত ২০০৬ সাল। টিভি থেকে আমাকে হঠাৎ হঠাৎ ডাকা হতো, কোথাও মহিলা নির্যাতন ঘটলে ও নিয়ে কথা বলার জন্যই সাধারণত।একদিন ভয়াবহ কোনও মহিলা নির্যাতন নিয়ে আলোচনা হবে,আমি একজন বক্তা, বাকি দু’জন বক্তার মধ্যে একজন এসে গেছেন, আরেকজন আসছেন, পথে। তৃতীয় জনকে ছাড়াই সময় হয়ে গেছে বলে আলোচনা শুরু করলেন পরিচালক। শুরু হওয়ার মিনিট দশেক পর যোগ দিলেন রুদ্রনীল, তৃতীয় বক্তা। অনুষ্ঠানের পরিচালক বোধহয় রুদ্রনীলের বন্ধু ছিলেন। ওকে দিয়েই মূলত কথা বলিয়েছেন, এবং ওর কথাগুলোই মাথা নেড়ে হাত নেড়ে সমর্থন করেছেন। একবার আমাকে প্রশ্ন করার পর উত্তরে পুরুষতন্ত্র দায়ি বা এরকম কিছু বলেছি, সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রনীল ঘোষ বলে উঠলেন, পুরুষতন্ত্র আবার কী জিনিস? পুরুষতন্ত্রের কোনও অস্তিত্ব নেই সমাজে।বললেন, হ্যাঁ পুরুষতন্ত্র নামে একটা জিনিস ছিল, ছিল প্রাচীনকালে। তাঁর দিদিমাদেরও দিদিমাদের আমলে। একালে পুরুষতন্ত্র নেই।একালে সর্বক্ষেত্রে মহিলারা উপভোগ করছে সমানাধিকার। নারী নির্যাতন কখনই ঘটে না, যদি কখনও ঘটেই থাকে, ঘটে নারীদের দোষে। কোনও পুরুষতন্ত্র বা পুরুষ এর জন্য দায়ি নয়। লেখিকা তসলিমা নাসরিন লিখেছেন অনুষ্ঠানের বাকিটা সময় আর কোনও কথা না বলে প্রচণ্ড জ্ঞানী ব্যক্তিটির বক্তৃতা শুনে গেছি। ওঁর নাটক আমাকে আর টিকিট কেটে দেখতে হয়নি।