
পাটনায় হাসপাতালে শ্যুটআউটের ঘটনায় আনন্দপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত তৌসিফ ওরফে বাদশা তাঁর দাদা নিশু খান সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে নিশু খানের বান্ধবীও রয়েছে। এরপরেই পুলিশের স্ক্যানারে নিশুর বান্ধবীও।
এই বান্ধবীই আনন্দপুরে গেস্ট হাউসের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। নিশু জানিয়েছেন পার্টনা থেকে রাঁচি হয়ে কলকাতায় এসেছিল তারা। সাপুরজিতে গিয়ে তৌসিফের বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়নি। তারপর পার্কস্ট্রিটে যায়। সেখানে হোটেল না পাওয়ায় আনন্দপুরে যায়। সেখানে তাঁর বান্ধবীই এই গেস্ট হাউসের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বান্ধবীর সঙ্গে আলাপ হয় নিশু খানের। বিহার পুলিশের দাবি এই নিশু খানের বাড়িতে বসেই চন্দন মিশ্রকে খুনের ছক করা হয়েছিল। যদিও গুনে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে নিশু খান। চন্দন মিশ্রর সঙ্গে শেরু খানের। শত্রুতা ছিল। এমনটা দাবি করেছে নিশু খানের। বেশ কয়েক বছর আগে গুলি চলেছিল নিশুর ওপর। তারপর থেকে প্যারালাইজড হয়ে রয়েছে সে। রবিবার অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছিল নিশুকে। শনিবারই দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সে আরও জানিয়েছে চন্দন মিশ্রকে খুনের কথা কিছুই জানতেন না। চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসেছিল বলেও দাবি করেছে নিশু। চন্দনকে মারার পর ভাই তৌসিফ তাকে জানিয়েছিল বলে দাবি করেছে নিশু। তৌসিফকে থানায় আত্মসমর্পণ করতেও বলেছিল।
বেউর জেলে শেক সিংয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় তৌসিফের। তবে চন্দন মিশ্রকে খুনের জন্য কত সুপারি দেওয়া হয়েছিল তা স্পষ্ট নয় নিশুর কথা। তৌসিক ওরফে বাদশা, তার দাদা নিশু এবং বাকিদের টানজিট রিমান্ডে বিহারে নিয়ে যাওয়ার। জন্য আদালতে তোলা হয়েছিল।






