টিসিএসে ধর্মান্তরণ , মামলা সুপ্রিম কোর্টে

0
48
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের, টিসিএসের ধর্মান্তর বিতর্ক এবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। ওই আবেদনে বলে হয়েছে,বিষয়টি জেনে গোটা দেশ চমকে উঠেছে।এই ধরনের কাজ ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে’র আওতায় পড়ে।

অবৈধ ধর্মান্তর রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি।জনস্বার্থ মামলার আবেদনে আরও বলা হয়েছে, নাসিকের ঘটনাটি ব্যতিক্রম নয়। বরং বড়সড় চক্রান্তেরই অংশ। আবেদনকারীর আইনজীবী সর্বোচ্চ আদালতকে জানিয়েছেন,প্রতারণামূলক ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর দেশের ঐক্য ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক। আবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে,যখন বলপ্রয়োগ বা প্রলোভন ব্যবহার করে সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ধর্মান্তরণ চালানো হয়, তখন তা ভারতের জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তনে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হয়।বেশ কিছু বিদেশী সংস্থা অর্থায়ন করে এদের সাহায্য করছে।আবেদনে বলা হয়েছে, এই ধরনের কার্যকলাপ দেশের অখণ্ডতাকে বিপন্ন করে। ফলে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত আইনের আওতায় এর বিচার হওয়া উচিত।উল্লেখ্য, যৌন নির্যাতন,মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ আইটি জায়েন্ট সংস্থার নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছেন টিসিএসের কমপক্ষে ন’জন মহিলা কর্মী।

এই বিষয়ে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিশ মহাজনের দাবি, কোম্পানির চার-পাঁচজন মুসলিম কর্মী এবং কিছু কর্তা চাকরি, ভালো বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়েদের প্রলুব্ধ করেছিল। তিনি আরও দাবি করেন, মহিলাদের নমাজ পড়তে ও রোজা রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল।গোট ঘটনায় মুখ পুড়েছে বিখ্যাত তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার। ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তদন্তে নেমেছে নাসিক পুলিশ।