
তেলেঙ্গানার সুড়ঙ্গে আটকে পড়া দুই ইঞ্জিনিয়ার, দুই অপারেটর ও চার শ্রমিকের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে। এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরার মাধ্যমে সুড়ঙ্গের ভিতর নজরদারিও চালানো হচ্ছে।
এছাড়াও ব্যবহার করা হচ্ছে রোবোটিক ক্যামেরা। ধ্বংসস্তূপের শেষ কিছু মিটার পার করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাঁদের কাছে। জল-কাদা ভেঙে এই অসাধ্য সাধন করতে সুড়ঙ্গে নামানো হয়েছে বিশেষ যন্ত্র। একইসঙ্গে ভিতর থেকে পাম্পিংয়ের মাধ্যমে জল বের করার কাজ চলছে জোরকদমে। এদিকে উদ্ধারকাজের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী জুপালি কৃষ্ণ রাও বলেছেন, যে আটজন ভিতরে আটকে পড়েছেন তাঁদের বেঁচে থাকার আশা অত্যন্ত ক্ষীণ। তবে সামান্য আশার আলো থাকলেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।
যেখানে শ্রমিকরা আটকে পড়েছেন সেই অংশে অত্যন্ত জটিল। ফলে, আটকদের জীবিত অবস্থায় বের করে আনতে আদৌ পারা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন মন্ত্রী।





