
থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা ও তার মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেছে। কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধে তার ভূমিকার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা দেশটিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত মাসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তাকসিন শিনাওয়াত্রার কন্যা পেতংতার্নের দায়িত্ব সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।এর আগে জুন মাসে শক্তিশালী প্রাক্তন কাম্বোডিয়ান নেতা হুন সেনের সঙ্গে এক টেলিফোন কলে তিনি থাইল্যান্ডের পক্ষে যথাযথ অবস্থান নিতে ব্যর্থ হন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। সেই কল অনলাইনে ফাঁস হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় ওঠে। ৯ সদস্যবিশিষ্ট বিচারক প্যানেলে রায়ে বলা হয়,তিনি প্রধানমন্ত্রীর নৈতিক মানদণ্ড রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাই তাকে পদচ্যুত করা হলো। এদিকে সংসদে ভঙ্গুর জোট সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো উপযুক্ত প্রার্থী না থাকায়, তার কর্মকাণ্ড দেশটিকে রাজনৈতিক সঙ্কটের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। একজন বিচারকের রায়ে বলা হয়েছে, তার কর্মকাণ্ড আস্থা হারিয়েছে,ব্যক্তিগত স্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের ওপরে প্রাধান্য দিয়েছে। এতে জনগণের সন্দেহ তৈরি হয়েছে,তিনি কাম্বোডিয়ার পক্ষ নিচ্ছেন ও প্রধানমন্ত্রীর পদে তার প্রতি নাগরিকদের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে।আসামি নৈতিক আচরণবিধি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার প্রধানমন্ত্রিত্ব কার্যত ১ জুলাই স্থগিতাদেশের সঙ্গেই শেষ হয়েছে।এ রায় পেতংতার্নের মন্ত্রিসভাকেও ভেঙে দিয়েছে।
অন্যদিকে, এর এক বছর আগে একই আদালত ভিন্ন এক নৈতিকতার মামলায় তার পূর্বসূরি স্রেত্থা থাভিসিনকেও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করেছিলেন।প্রাক্তন কম্বোডিয়ান নেতা হুন সেনের সঙ্গে তার একটি ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে পদত্যাগের চাপ বাড়ছিল।





