
আমি চকচকে জিনিস পছন্দ করি না, কাগজের আংটিতেই হবে,নিজের গানে এমনটাই বলেছিলেন টেইলর সুইফট। কিন্তু বাস্তব জীবনে সেই কথা আর মানলেন না পপ তারকা।
কেনসাস সিটি চিফসের তারকা খেলোয়াড় ট্র্যাভিস কেলসির সঙ্গে বাগদান সেরে সুইফট এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিশেষ করে তার আঙুলে থাকা বিশাল হীরার আংটির কারণে।ইনস্টাগ্রামে একটি যৌথ পোস্টে সুইফট-কেলসি লিখেছেন, তোমাদের ইংরেজি শিক্ষক আর জিম শিক্ষক বিয়ে করতে যাচ্ছেন। সেই পোস্টেই প্রকাশিত বাগদানের ছবিতে সুইফটের পরা বিশাল হীরের আংটিটি নজর কাড়ে সবার।বলা হচ্ছে, এই আংটির নকশা করেছেন কেলসি নিজেই,একজন অভিজ্ঞ জুয়েলারির সাহায্যে। আংটির ভিনটেজ নকশা অনেকেই সুইফটের সাম্প্রতিক অ্যালবাম,দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল-এর নান্দনিকতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন।রিটেইল জুয়েলার্স ম্যাগাজিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রুথ ফকনার জানিয়েছেন, এই আংটির দাম হতে পারে ৫ লাখ থেকে ৪ মিলিয়ন পাউন্ডের মধ্যে। তার মতে, হীরেটি ৮ থেকে ১০ ক্যারেটের, যা ভিনটেজ এবং অতিমাত্রায় বিরল।গয়না বিশেষজ্ঞ র্যাচেল টেইলর বলেছেন, এই হীরের ঝলমলে ভাব প্রাকৃতিক এবং এটি হাতে কাটা, যন্ত্রে নয় যা এটিকে আরও অনন্য করে তুলেছে।ডায়মন্ড এক্সপার্টের প্রতিষ্ঠাতা রোনা ফিটজপ্যাট্রিক জানিয়েছেন,বড় হীরের প্রতি তারকাদের আকর্ষণ বাড়ছে। তবে শুধু বড় বলেই নয়, তারা এখন এমন নকশা খুঁজছেন যা নিজস্বতা বহন করে। সুইফটের আংটিও তাই হয়ে উঠেছে একটি স্টেটমেন্ট গয়না।এদিকে,এই বছর বেশ কয়েকজন তারকার আংটিও আলোচনায় এসেছে। যেমন,জেন্ডায়ার আড়াআড়িভাবে বসানো হীরে, ডুয়া লিপার মোটা সোনার ফ্রেমে গোলাকার হীরের আংটি, কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজের ডিম্বাকৃতির হীরের আংটি। অন্যদিকে,বিশ্বজুড়ে এখন বাগদানের আংটিতে প্রায় ৫২ শতাংশ ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হচ্ছে ল্যাব-গ্রোথ হীরে, কারণ এগুলো তুলনামূলক সস্তা।
কিন্তু সাংবাদিক র্যাচেল টেইলরের মতে, ল্যাব-গ্রোথ হীরে সম্পূর্ণ শক্তপোক্ত নয়, কারণ এগুলো উৎপাদনে অনেক শক্তি লাগে।টেইলর সুইফটের আংটিকে ঘিরে আরও এক বিতর্ক এর ভিনটেজ প্রকৃতি। উল্লেখ্য পুরোনো হীরে নতুন করে খনন করতে হয় না, কিন্তু এগুলোর ইতিহাসও অস্পষ্ট থাকে।







