
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের সৌরজগতে দূরবর্তী চাঁদ বিশেষ করে ইউরোপা, টাইটান ও এনসেলাডাসের মতো বিভিন্ন ভিনগ্রহে নজর রেখেছেন বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়াররা।
এত দূরে থাকা সত্ত্বেও পৃথিবীর বাইরে প্রাণের খোঁজ পাওয়ার জন্য সেরা সম্ভাবনা হতে পারে এসব ভিনগ্রহ। তবে এসব গ্রহের কঠোর পরিস্থিতি ও পরিবেশে মানুষের যাওয়ার বিষয়টি মারাত্মক হতে পারে।ফলে এসব রহস্যময় স্থান অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রোবট।সবচেয়ে রোমাঞ্চকর সম্ভাবনাগুলোর মধ্যে বৃহস্পতির গুরুত্বপূর্ণ চাঁদ ইউরোপা অন্যতম। বিজ্ঞানীরা বলছেন,বরফে ঢাকা এ চাঁদের হিমায়িত ভূত্বকের নীচে রয়েছে তরল জলের এক বিশাল সমুদ্র। উল্লেখ্য,প্রাণের জন্য অন্যতম মূল উপাদান হচ্ছে জল। তাই প্রাণের খোঁজ পাওয়ার জন্য প্রধান প্রার্থী হতে পারে ইউরোপা। এরইমধ্যে নাসার ইউরোপা ক্লিপার নামে এক মিশনের জন্য কাজ করছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি।মিশনটি শিগগিরই চালু করবে নাসা, যা বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করবে ও এর উপগ্রহের পৃষ্ঠ, বরফ এবং পানি গবেষণার জন্য ইউরোপার খুব কাছ থেকে উড়ে যাবে।ইউরোপায় না নামলেও সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ চলবে এ মিশনে, যা ভবিষ্যতের রোবট ডিজাইন করতে সাহায্য করবে বিজ্ঞানীদের।ফলে বরফ খনন করতে পারে বা নীচের সমুদ্রে ডুব দিতে পারে এমন সক্ষমতার রোবট বানাতে পারবেন তারা।আরেকটি দৃষ্টিনন্দন চাঁদ হল শনি গ্রহের টাইটান।
এর অনন্যতার কারণ হচ্ছে, এতে নদী, হ্রদ ও সমুদ্র সবই রয়েছে, যা জলের নয়, বরং তরল মিথেন ও ইথেনের।এর ঘন বায়ুমণ্ডলও রয়েছে, যা চাঁদের পরিবেশের জন্য বিরল। ২০৩০ এর দশকে টাইটানে যাওয়ার কথা রয়েছে নাসার ড্রাগনফ্লাই মিশনের হেলিকপ্টারের মত ড্রোনটির।
