
জলমগ্ন কলকাতায় আদালতে পৌঁছতেই পারলেন না বিচারক। ফলে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ভাগ্য কার্যত ঝুলেই রইল। মঙ্গলবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি আদালতে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায়দান দুপুর ২টোয় হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু মঙ্গলবার কৌর্টে পৌঁছতেই পারেননি বিচারক। ফলে রায়দান একদিন পিছিয়ে গিয়েছে শুধু এই মামলাই নয়, কলকাতার বিভিন্ন আদালতে বিক্ষিপ্তভাবে জল জমে রয়েছে। অনেক আইনজীবী, বিচারক আসতেই পারননি আদালতে। ফলে অনেক মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন চন্দ্রনাথ সিনহা। ইডি তাঁকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল। ২০২৪-এ বোলপুরে মন্ত্রীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। তার নির্দিষ্ট কোনও হিসেবে দিতে পারেন নি চন্দ্রনাথ। আয়কর রিটার্নের নথিও সময়মত জমা দেননি। তবে ৬ অগাস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর তড়িঘড়ি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নথি জমা দিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু উদ্ধার হওয়া টাকার মধ্যে মাত্র ১৯ লাখের হিসেব দেখাতে পেরেছেন চন্দ্রনাথ সিনহা। বীরভূমের মুরারইয়ের কিষাণ মান্ডি এলাকায় তাঁর একাধিক হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি চালিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা।








