সলমনের গ্যালাক্সির বাইরে গুলি, আত্মসমর্পণের আবেদন গ্যাংস্টারের 

0
19
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল

২০২৪ সালের পয়লা বৈশাখে সলমনের বাড়ির সামনে গুলিবৃষ্টির ঘটনায় উঠে এসেছে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইর নাম। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগের পরই থেকেই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় ছিলেন সলমন।

এবার অভিযুক্তের আইনজীবীর দাখিল করা আবেদন অনুযায়ী, সলমনের বাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনায় আত্মসমর্পণ ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আনমোল। গ্যাংস্টার অনমোল বিষ্ণোই ২০২৪ সালে সলমন খানের বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর মামলায় আত্মসমর্পণের অনুমতি চেয়ে মুম্বাইয়ের বিশেষ এমসিওসিএ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর আর্জি, মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ এবং ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে এই আত্মসমর্পণ প্রয়োজন। উল্লেখ্য, বর্তমানে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি আনমোল। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির, এএনআই সন্ত্রাস-গ্যাংস্টার যোগসাজশ সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।এখন তিনি রয়েছেন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে। এই মামলায় তাঁর বড় ভাই লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নেতৃত্বাধীন চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। আনমোল তাঁর আইনজীবী মারফৎ আদালতকে জানিয়েছেন, ন্যায্য বিচারের স্বার্থে চলমান বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করতে চান। তাঁকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকার অনুমতি প্রদান করা হোক।

এদিকে এনআইএ মামলায় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকায় মুম্বইয়ের আদালতে উপস্থিত হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন। তাই তিনি আদালতের কাছে তিহার জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে একটি প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করেছেন। এর আগে জানা যায়, মার্কিন মুলুকে বসেই এই গুলিবর্ষণের ছক কষা হয়েছিল। সেখানেই লরেন্স বিষ্ণোইর ভাই অনমোল বিষ্ণোই রোহিত গোদরাকে এই হামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সোশাল মিডিয়ায় অনমোলের নামের একটি প্রোফাইল থেকে একটি পোস্টও ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখা ছিল, এ তো শুধু ট্রেলার ছিল।