
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্য এসেছে। জানা যাচ্ছে, রানওয়ে ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিমানের দুটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো-র ১৫ পাতার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, শেষ মুহূর্তে কীভাবে ইঞ্জিন চালুর মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন দুই পাইলট।
সক্রিয় করেছিলেন বিকল্প এক যন্ত্রও। কিন্তু লাভ হয়নি। একটি ইঞ্জিন চাল হলেও দ্বিতীয় ইঞ্জিনটি আর চালানো যায়নি। ফলে মুহূর্তের মধ্যে বিমানটি সামনের বহুতলে ধাক্কা খায় এবং ভেঙে পড়ে। এছাড়াও ককপিটের ভয়েস রেকর্ডার থেক উঠে এসেছে ক্যাপ্টেন সুমিত সাবারওয়াল ও ফাস্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দরের কথোপকথন।
শোনা যাচ্ছে, একজন অপরজনকে বলছেন, ফুয়েল কাট অফ করলেন কেন? উত্তরে অপরজন বলেন তিনি করেননি। ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগেই এই কথোপকথন শোনা গিয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।







