গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

35 C
Kolkata
35 C
Kolkata
More
    Home National  চিনের প্রভাব ঠেকাতে এগোচ্ছে কোয়াড

     চিনের প্রভাব ঠেকাতে এগোচ্ছে কোয়াড

    0
    9
    ছবি সৌজন্যে : এক্স

    ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের প্রভাব ঠেকাতে ফের তৎপর হল ভারত, আমেরিকা, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার চতুর্দেশীয় অক্ষ বা কোয়াড। দিল্লিতে চতুর্দেশীয় জোটে বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে সেই বার্তাই উঠে এসেছে।

    বলা হয়েছে, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ফিজিতে যৌথ ভাবে বন্দর বানাবে কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। উল্লেখ্য, এই প্রথম বার কোয়াড দেশগুলি একসঙ্গে তৃতীয় কোনও দেশের বন্দরপ্রকল্পে কাজ করছে। প্রত্যাশিত ভাবেই ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে আসে আলোচনায়। আলোচিত হয় হরমুজ প্রণালীর প্রসঙ্গও। তবে বৈঠকের মূল নির্যাস ছিল, চিনের প্রভাব প্রতিহত করতে চতুর্দেশীয় জোটের সার্বিক প্রয়াস। দক্ষিণ চিন সাগরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কোয়াড। একই সঙ্গে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রে নজরদারি বৃদ্ধির উপর জোর দিয়েছেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো। তিনি বলেছেন, সমুদ্রের নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপথে যত বাণিজ্য হয়, তার ৬০ শতাংশই হয় ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে।ফিজিতে চার দেশের মিলিত ভাবে বন্দর তৈরির ঘোষণাও করেছেন মার্কিন বিদেশসচিবই। রুবিয়োর বক্তব্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দ্বীপটিতে বন্দরের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি মেটানোর জন্যই কোয়াড দেশগুলি পারস্পরিক সহযোগিতায় সেখানে বন্দর তৈরি করবে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রটি কোয়াডের সদস্য নয়। তার পরেও এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি রফতানি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কোয়াড। সরাসরি কোনও দেশের নামোল্লেখ করেনি তারা। অন্যদিকে, চতুর্দেশীয় অক্ষ বা কোয়াডের বৈঠকে জ্বালানি উদ্বেগের বিষয়ে জোর দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    বৈঠক শেষে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য সরবরাহ শৃঙ্খল,সাপ্লাই চেন মজবুত হওয়া দরকার। বৈঠকে জ্বালানির পাশাপাশি সার এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের বিষয়েও কথা বলেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং আবার হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ওই জলপথে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতার উপর জোর দিয়েছেন  তিনি। জাহাজ যাতায়াত করতে দেওয়ার বদলে শুল্ক আদায়েরও বিরোধিতা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং।