
টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ এখনো নিমিষেই চিনে ফেলা যায়। আটলান্টিকের গভীর অন্ধকারে উঁকি দিচ্ছে এক শতাব্দি আগে ডুবে যাওয়া বহুল আলোচিত জাহাজটির সামনের অংশ।তবে নতুন এক অভিযানে জাহাজটির ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাওয়ার প্রভাব ফুটে উঠেছে, যেখানে এর সিংহভাগই এখন সমুদ্রের তলদেশের নিচে।
জাহাজটির রেলিংও ক্ষতির মুখে পড়েছে, যাকে জেমস ক্যামেরন পরিচালিত বিখ্যাত সিনেমা টাইটানিকে অমর করেছেন এর দুই মূল চরিত্র জ্যাক ও রোজ। এবারের গ্রীষ্মে বিভিন্ন ডুবো রোবট দিয়ে চালানো অভিযানে রেলিংটি আবারও খুঁজে পাওয়া গেছে।রোবটের তোলা ছবিতে দেখা গেছে,এ ধ্বংসাবশেষ সমুদ্রের ঢেউয়ের নিচে গত শতাব্দিজুড়ে কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে।জাহাজটি ডুবেছিল ১৯১২ সালের এপ্রিলে, যার আগে এটি একটি হিমশৈল বা আইসবার্গে আঘাত হেনেছিল। আর এ ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন দেড় হাজার মানুষ।অভিযান চালানো দলটির ধারণা বলছে, জাহাজের রেলিংয়ের অংশ, যা প্রায় সাড়ে চার মিটার লম্বা, তা গত দু’ বছরের কোনো এক সময় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে।এদিকে, ২০২২ সালে ডিপ-সি ম্যাপিং কোম্পানি ম্যাজেলান ও আটলান্টিক প্রোডাকশনসের তথ্যচিত্র নির্মাতাদের পরিচালিত এক অভিযানে পাওয়া ছবি এবং ডিজিটাল স্ক্যানিংয়ে দেখা গেছে,রেলিংটি তখনও জাহাজের সঙ্গে লেগে থাকলেও তা এরইমধ্যে বাঁকা হতে শুরু করেছে। তবে,সমুদ্রের তিন হাজার আটশ মিটার গভীরে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে এমন জাহাজটির এটা একমাত্র অংশ নয়। এর বিভিন্ন ধাতব কাঠামো খেয়ে ফেলছে জীবাণু। এমনকি সেগুলোতে মরচেও ধরছে। উল্লেখ্য এর আগের বিভিন্ন অভিযানে ইঙ্গিত মিলেছে, টাইটানিকের বিভিন্ন অংশ ক্ষয়ে যাচ্ছে। ২০১৯ সালে মার্কিন অভিযাত্রী ভিক্টর ভেস্কোভো’র নেতৃত্বে অংশ নেওয়া ডুবুরি অভিযানে দেখা গেছে, এর অফিসার্স কোয়ার্টারের স্টারবোর্ডের দিকটি ভেঙে পড়ছে, এমনকি জাহাজের স্টেট রুমের পাশাপাশি এর ক্যাপ্টেনের








